ইবনে তাইমিয়া

ইবনে তাইমিয়া

জন্ম: 1263 — মৃত্যু: 1328

লেখক পরিচিতি

উইকিপিডিয়া থেকে

তাকিউদ্দিন আহমাদ ইবন আব্দুল হালিম ইবন আব্দুস সালাম আন-নুমায়রি আল-হাররানি (আরবি: تقي الدين أحمد بن عبد الحليم بن عبد السلام النميري الحراني; ২২ জানুয়ারি ১২৬৩ – ২৬ সেপ্টেম্বর ১৩২৮), যিনি ʾইবনে তাইমিয়াহ (ابن تيمية) নামে ও পাশাপাশি শায়খুল ইসলাম উপাধিতে অধিক পরিচিত, ছিলেন একজন সুন্নি ইসলামি পণ্ডিত, মুহাদ্দিস, ধর্মতাত্ত্বিক, বিচারক, আইনজ্ঞ, মুজাহিদ এবং একজন চিন্তক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ইলখানাতের শাসক গাজান খানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং মারজ আল-সাফফারের যুদ্ধে বিজয়ী কৃতিত্বের জন্য খ্যাত যার ফলে লেভান্তে মঙ্গোল আক্রমণের অবসান ঘটেছিল। তাঁর নিজের সময়কার এবং পরবর্তী শতাব্দীসমূহের এক মেরুপ্রবণ ব্যক্তিত্ব ইবনে তাইমিয়া সমসাময়িক ইসলামের অন্যতম প্রভাবশালী মধ্যযুগীয় লেখক হয়ে উঠেছেন, যেখানে তাঁর প্রদত্ত কুরআন ও সুন্নাহর বিশেষ ধরনের ব্যাখ্যা এবং তাঁর দ্বারা ধ্রুপদী ইসলামি ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক প্রত্যাখ্যানকে সালাফিবাদ ও জিহাদবাদের মতো সমসাময়িক অতি-রক্ষণশীল মতাদর্শগুলোতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তারকারী বলে ধারণা করা হয়। তাঁর শিক্ষার বিশেষ দিকগুলি সৌদি আরবে অনুশীলিত হাম্বলি সংস্কার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব এবং পরবর্তী ওয়াহাবি আলেমদের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। মিশরীয় সালাফি সংস্কারক রশিদ রিদা তাঁকে হিজরি ৭ম শতাব্দীর একজন মুজাদ্দিদ গণ্য করতেন। অধিকন্তু, অন্য মুসলিমদের বিরুদ্ধে জিহাদকে অনুমোদিত করার ইবনে তাইমিয়া প্রদত্ত বিতর্কিত ফতোয়াটিকে আল-কায়েদাসহ বিভিন্ন জিহাদি সংগঠন তথ্যসূত্র হিসেবে উদ্ধৃত করে থাকে। ইবনে তাইমিয়ার চিন্তার জিহাদবাদী পাঠকে সাম্প্রতিক বিদ্যাবত্তা দ্বারা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗