বইয়ের পরিচয়

"কালো বরফ" বইয়ের ভূমিকার অংশ থেকে নেয়া:ব্যক্তির হৃদয়কে চিরে চিরে দেখানাের উপযােগী। তার ভাষা, প্রচণ্ড সংক্রমণ শক্তিসম্পন্ন তার প্রকাশভঙ্গি। উত্তরাধিকার শুরু থেকে শেষ অব্দি মাহমুদুল হক তাঁর উপন্যাসকে যেভাবে বুনেছেন, সেই ভাব ও আঙ্গিক খুবই আকর্ষণীয় এবং এর পরিণতিও বেশ পরিণত। তাঁর ভাষায় এমন একটা তরতাজা সৌন্দর্য আছে যা মনকে তৃপ্তি দেয়। আঞ্চলিক শব্দের এমন নিখুঁত ব্যবহার এখানকার খুব কম উপন্যাসেই ইতিপূর্বে লক্ষ্য করা গেছে... একটি উল্লেখযােগ্য উপন্যাস বিনােদন লেখকের কল্পনাশক্তির বিস্তার রীতিমতাে অসাধারণ ... যেখানে খঞ্জনা পাখি এই দশকের। অন্যতম উপন্যাস। পূর্বদেশ ধ্বনির ইন্দ্রজাল সৃষ্টিতে নিপুণ দৈনিক বাংলা এই গ্রন্থের আরেকটি বৈশিষ্ট্য ভাষার প্রসাদগুণে এবং সাবলীল ও রসময় গতিভঙ্গির জন্য অতি কুৎসিত। কথা ও কুশ্রীতা কেমন সুন্দর কমনীয় ও চিত্তাকর্ষক হয়ে উঠেছে ... এরূপ ভাষাভঙ্গি আমাদের কথাসাহিত্যে বিরল / চিত্রালী বাংলা গদ্যে প্রভুত্ব করার ক্ষমতা এর আছে। দেশ মাহমুদুল হকের দেখার দৃষ্টি এবং লেখার শক্তি দুই-ই। আছে, সেই সাথে আছে তীক্ষ্ণ নিপুণ প্রকাশক্ষম ভাষা। তিনি সহজ ভাষার কথক নন, অন্তর্গত জটিলতার উন্মােচনই তার অভীষ্ট।

লেখক পরিচিতি

মাহমুদুল হক

1941 – 2008

মাহমুদুল হক (১৬ নভেম্বর ১৯৪১ – ২১ জুলাই ২০০৮) একজন বাংলাদেশি লেখক। তাকে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাশিল্পী বলা হয়ে থাকে। তার লেখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা চমকপ্রদ। তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →