চক্ষে আমার তৃষ্ণা বইয়ের প্রচ্ছদ

চক্ষে আমার তৃষ্ণা

লেখক: হুমায়ূন আহমেদ

পৃষ্ঠা: 128

ISBN: 9789849601104

বইয়ের পরিচয়

এতদিন ধরে যেই আকাঙ্ক্ষা, যেই পিপাসা, তৃষ্ণা আমার চক্ষুদ্বয়ে ছিল আজ তার পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আমি আরও একবার দেখতে পেয়েছি আমার প্রিয়দর্শিনীকে। কিন্তু এবার যে আমার ইচ্ছে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল, আল্লাহ্। মানুষ স্বভাবসুলভভাবেই লোভী প্রজাতির, আমিও বোধহয় তার ব্যতিক্রম নই। এবার যে প্রিয়দর্শিনীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে পাওয়ার তৃষ্ণা জেগেছে মনে!রবী ঠাকুরের “চক্ষে আমার তৃষ্ণা” সঙ্গীতটির এই লাইনটা যেন মানবজীবনের কিছু কিছু মানুষের মনে প্রকট আকার ধারণ করে। তৃষ্ণা মেটানো কারো কারো পক্ষে দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। কারো বা সেই তৃষ্ণা মিটে; আবার কারো বা মিটে না। 'চক্ষে আমার তৃষ্ণা' নামকরণের এই উপন্যাসটির প্রায় চরিত্রের মাঝেই এমন কিছু তৃষ্ণা আছে যেগুলো মেটানো শুধু প্রয়োজনই নয় বরং আবশ্যক বটে। একেকজনের চোখের এই তৃষ্ণা, পিপাসা কী শেষ পর্যন্ত মিটবে?

লেখক পরিচিতি

হুমায়ূন আহমেদ

1948 – 2012

হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র। ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিমার রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীকালে লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে অধ্যাপনা ছেড়ে দেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার অভূতপূর্ব সৃষ্টি হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →