বইয়ের পরিচয়

তপতী বড় হইয়া উঠিল।মেয়েদের বিবাহের বয়স সম্বন্ধে আধুনিক যুগে অবশ্য কোন বাধা ধরা নিয়ম নাই, তথাপি একমাত্র কন্যার বিবাহটা একটু শীঘ্রই দিবার ইচ্ছা মি. শঙ্কর চ্যাটার্জির। সম্বন্ধও পাকা এবং দিনও স্থির হইয়া গিয়াছে। বাকি শুধু বিবাহটার।তপতী এবার বি-এ পরীক্ষা দিবে, তাহারই জন্য ব্যস্ত সে। বিবাহের নামে বাঙালি মেয়েরা যেরূপ উচ্ছ্বসিত হইয়া উঠে, তপতীর তাহা কিছুই হয় নাই। কেন হয় নাই, জিজ্ঞাসা করিলে সে বলিবে বাপ-মার হাতের দেওয়া অনিবার্য শাস্তি যখন লইতেই হইবে, তখন ভাবিয়া লাভ কী! বিয়েটা হইয়া গেলেই আনন্দ-নিরানন্দ যাহা হোক একটা করা যাইবে। এখন পরীক্ষার পড়াটা করা যাক্।কিন্তু ইহাতে ভাবিবার কিছুই নাই। তপতীর জন্য ভদ্রবংশের জনৈক শিক্ষিত এবং সুন্দর যুবক প্রস্তুত হইতেছেন। আর তপতী তাহাকে দেখিয়াছেও। বিবাহের পর যুবকটিকে বিলাত পাঠানো হইবে পূর্তবিদ্যা শিখিবার জন্য, ইহাই মিস্টার এবং মিসেস চ্যাটার্জির ইচ্ছা।

লেখক পরিচিতি

ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

1904 – 1975

ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় (৭ মার্চ ১৯০৪ — ২৫ এপ্রিল ১৯৭৫) ছিলেন একজন খ্যাতনামা বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক। এটি তার ছদ্মনাম। তার আসল নাম তারাপদ। তার বিখ্যাত উপন্যাস চিতা বহ্নিমান ও শাপমোচন। এই দুটি উপন্যাস তার পাঠক সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →