বইয়ের পরিচয়

“ঝিন্দের বন্দী” বইয়ের ফ্ল্যাপের কথা:মধ্যভারতের ছোট্ট স্বাধীন রাজ্য ঝিন্দ।রাজা ভাস্কর সিংহের মৃত্যুর পর শঙ্কর ও উদিত দুই ছেলের মধ্যে সিংহাসন নিয়ে শুরু হল বিরোধ, অভিষেকের ঠিক আগে শঙ্কর সিং নিখোঁজ হলেন। এদিকে কলকাতার এক বাঙালি ছেলে গৌরীশঙ্কর রায়কে হুবহু শঙ্কর সিংহের মতো দেখতে। তাকেই শঙ্কর সিং বলে সিংহাসনে বসাতে উদ্যত হলেন ঝিন্দের পুরনো কিছু রাজকর্মী। অভিষেক সম্পন্ন বিবাহ পর্যন্ত স্থির।কিন্তু সহজে তা মেনে নেবেন কেন উদিত সিং? শঙ্কর সিং তো নিখোঁজ নন, বন্দী করে রাখা হয়েছে তাঁকে। কিন্তু কোথায়? শঙ্কর সিং কি মুক্তি পাবেন ? গৌরীশঙ্কর কি লুকিয়ে রাখতে পারবেন তাঁর আসল পরিচয় ? তাছাড়া, তাঁর সঙ্গে এমন চেহারাগত অবিকল সাদৃশ্যই বা কেন মধ্যভারতের স্বাধীন রাজ্যের এক রাজকুমারের ?আগের এক কৌতুহলকর নাটকের যবনিকা কীভাবে ফের উত্তোলিত হল, কীভাবে সব রহস্যের ঘটল আশ্চৰ্য সমাধান, তাই নিয়ে অপূর্ব রোমান্স ও রোমাঞ্চে-ভরা এক কালজয়ী “ঝিন্দের বন্দী’।এ-কাহিনীর উৎস বিদেশি, কিন্তু বিস্ময়কর মুনশিয়ানায় পটভূমি ও চরিত্রাবলীকে পুরোপুরি ভারতীয় করে তুলেছেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম প্রকাশের দিন থেকে আজও জনপ্রিয় এই উপন্যাস।

লেখক পরিচিতি

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

1899 – 1970

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (৩০ মার্চ ১৮৯৯ – ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তাঁর জন্ম উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর শহরে নিজ মাতুলালয়ে। আদিনিবাস পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যস্থিত উত্তর কোলকাতার বরানগর কুঠিঘাট অঞ্চল। তাঁর রচিত প্রথম সাহিত্য প্রকাশিত হয় ২০ বছর বয়সে, যখন তিনি কলকাতায় বিদ্যাসাগর কলেজে আইন নিয়ে পড়াশুনো করছিলেন। পড়াশুনোর সাথেই তিনি সাহিত্য চর্চাও করতে থাকেন। তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সী আত্মপ্রকাশ করে ১৯৩২ সালে। শরদিন্দু ১৯৩৮ সালে বম্বের বম্বে টকিজে চিত্রনাট্যকাররূপে কাজ শুরু করেন। ১৯৫২ সালে সিনেমার কাজ ছেড়ে স্থায়ীভাবে পুণেতে বসবাস করতে শুরু করেন। পরবর্তী ১৮ বছর তিনি সাহিত্য চর্চায় অতিবাহিত করেন। ১৯৭০ সালে হৃৎরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →