বইয়ের পরিচয়

উইকিপিডিয়া থেকে

তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা ১৯৭৫ সালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সংগঠিত তিনটি সেনা-অভ্যুত্থান এর ঘটনা নিয়ে লিখিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বই। ঢাকার স্টেশন কমান্ডার লে. কর্ণেল (অব:) এম এ হামিদ পিএসসি ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানগুলো এর ঘটনাক্রম এই বইতে তুলে ধরেন। লে. কর্ণেল (অব:) এম এ হামিদ লিখিত এই বইটি আগষ্ট থেকে নভেম্বরের মধ্যে সাধিত তিনটি সেনা অভ্যুত্থান সম্বন্ধে বেশ নির্ভরযোগ্য বই বলেই মনে হয়। == প্রেক্ষাপট == বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহ তিনটি সেনা অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট, ৩রা নভেম্বর এবং ৭ই নভেম্বর। যাতে প্রাণ হারান রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য, অসংখ্য সেনা অফিসার, তাদের পরিবারের লোকজন। এসব অভ্যুত্থানে নিহত হন। খুনীদের অধিকাংশ পাকিস্তান প্রত্যাগত সেনা সদস্য। অভ্যুত্থানগুলো ঘটার সময় লেখক এম এ হামিদ ঢাকার স্টেশন কমান্ডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবারসহ ক্যান্টনমেন্টেই অবস্থান করছিলেন। লেখক বইটিতে সেনা অভ্যুত্থানগুলো সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন, এবং জন্ম দিয়েছেন কিছু নতুন প্রশ্নের। == তথ্যসূত্র ==

উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗

লেখক পরিচিতি

লে: কর্নেল (অব:) এম. এ. হামিদ, পি.এস.সি

এম এ হামিদ (১৮ মার্চ ১৯৩২ - ২৫ জুলাই ২০০৮) বাংলাদেশী ক্রীড়া সংগঠক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা। আর্মি স্পোর্টস কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতি এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০৬ সালে সংগঠক ক্যাটাগরিতে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছিলেন। == জন্ম ও প্রাথমিক জীবন == এম এ হামিদ ১৮ মার্চ ১৯৩২ সালে সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন । তিনি ১৯৫৩ সালে কাকুলস্থিত পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন। == কর্মজীবন == হামিদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ১৯৫৫ সালে ১২তম দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সে কমিশন পেয়ে তৎকালীন ১৪ পাঞ্জাব রেজিমেন্টে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬৩ সালে তিনি ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। তিনি চাকরি জীবনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি পেশোয়ারে পাকিস্তানী ক্যাম্পে অন্তরীণ হন। সেখান থেকে ১৯৭২ সালে তিনি সপরিবারে পলায়ন করে ঐ বছরই সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা পৌঁছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে মিলিটারি সেক্রেটারি হিসাবে যোগদান করেন । তার পলায়নের উপরে ভিত্তি করে তিনি 'পাকিস্তান থেকে পলায়ন' নামে একখানি গ্রন্থ রচনা করেন তিনি ঢাকার স্টেশন কমান্ডার থাকাকালীন সময়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট, ৩রা নভেম্বর ও ৭ই নভেম্বর এই তিনটি ঐতিহাসিক সেনা-অভ্যুত্থান সংঘঠিত হয়। অভ্যুত্থানের পরপরই তিনি ঢাকার লগ এরিয়া কমান্ডার পদে অধিষ্ঠিত হন, কিন্তু মাত্র তিন মাস পর সেনাবাহিনী থেকে পদত্যাগ করে অবসর গ্রহণ করেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →