দ্য প্লেগ (অনুবাদ : বাবুল আলম) বইয়ের প্রচ্ছদ

দ্য প্লেগ (অনুবাদ : বাবুল আলম)

লেখক: আলবেয়ার কাম্যু

পৃষ্ঠা: 208

ISBN: 9789848154618

বইয়ের পরিচয়

রকমারি থেকে

ছিমছাম বন্দর নগরী ওরান আক্রান্ত হয়েছে প্লেগে। ব্যাপারটা বুঝে উঠতে কর্তৃপক্ষের বেশ সময় লাগল। আগে থেকে কোনো প্রস্তুতি ছিল না। তাই দিশেহারা অবস্থা হয়ে গেল সাধারণ মানুষের। ব্যাহত হলো তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। পুরো পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল ওরান। বন্দর, স্টেশন সব বন্ধ। শহরের মূল প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয়া হলো। কেউ ঢুকতে বা বের হতে পারবে না শহর থেকে। এই অবরুদ্ধ শহরে সীমিত সামর্থ্য নিয়েই মানুষের সেবায় নেমে পড়লেন ডাক্তার রিও। অথচ তার স্ত্রী মৃত্যুর সাথে লড়ছেন দূর পাহাড়ের এক হাসপাতালে। রিওর সাথে এই যাত্রায় একে একে যোগ দেন পর্যটক তারু। যিনি ঘুরতে এসে আটকা পড়ে যান ওরানে। তার ডায়েরিতে লিখে রাখেন প্লেগাক্রান্ত শহরের নানা কথা। সাংবাদিক র‌্যামবার্ট অফিসের কাজে এসে আটকা পড়ে যান। প্যারিসে থাকা প্রেমিকার কাছে ফিরে যেতে মরিয়া তিনি। মিউনিসিপ্যালিটির অফিসের ক্লার্ক গ্রান্ড ব্যস্ত ছিলেন তার উপন্যাস লেখার কাজে। মহামারি এদের সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে আসে। ডাক্তার রিওর সাথে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতে শুরু করে তারা। একসময় ভয়াবহ আকার ধারণ করে মহামারি। হাজার হাজার মানুষ মারা যায়। তারপর যেমন এসেছিল তেমনই হঠাৎ আবার হারিয়ে যায় প্লেগ। মৃত্যু পেরিয়ে জয় হয় জীবনের।

লেখক পরিচিতি

আলবেয়ার কাম্যু

1954 – 1962

আলব্যার কাম্যু (ফরাসি: Albert Camus, উচ্চারণ: [albɛʁ kamy] (); ৭ই নভেম্বর ১৯১৩ – ৪ঠা জানুয়ারি ১৯৬০) ছিলেন একজন ফরাসি দার্শনিক, লেখক, নাট্যকার, সাংবাদিক, বিশ্বযুক্তরাষ্ট্রবাদী ও রাজনৈতিক সক্রিয়তাবাদী। ১৯৫৭ সালে ৪৪ বছর বয়সে, নোবেল ইতিহাসের দ্বিতীয়-কনিষ্ঠতম প্রাপক হিসেবে, তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর কাজগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লেত্রঁজে (১৯৪২), ল্য মিৎ দ্য সিজিফ (১৯৪২), লা পেস্ত (১৯৪৭), লম রেভল্তে (১৯৫১) এবং লা শ্যুৎ (১৯৫৬)। কাম্যু আলজেরিয়াতে (তৎকালীন ফরাসি উপনিবেশ) ফরাসি পিয়ে-নোয়ার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর নাগরিকত্ব ছিল ফ্রান্সের। তাঁর শৈশব দরিদ্র পরিবেশে কেটেছিল এবং পরবর্তীকালে তিনি আলজিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানরা যখন ফ্রান্স দখন করেছিল তিনি তখন প্যারিসে ছিলেন। কাম্যু পালাবার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু শেষে তিনি ফরাসি রেজিস্তঁস দলে যোগদান করেন এবং সেখানে কঁবা (Combat, ‘লড়াই’) নামে একটি বেআইনি সংবাদপত্রের প্রধান সম্পাদকের ভূমিকা পালন করেন। যুদ্ধ-পরবর্তীকালে, তিনি একজন খ্যাতিমান ব্যক্তি হয়ে ওঠেন এবং পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তিনি ভাষণ দিতে থাকেন। তিনি দু’বার বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন এবং তাঁর একাধিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কও ছিল। কাম্যু সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন; তিনি বামপন্থীদের একটা অংশের সাথে যুক্ত ছিলেন যারা সর্বনিয়ন্ত্রণবাদী সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরোধীতা করত। কাম্যু ছিলেন একজন নীতিবাদী এবং তিনি কিছুটা ট্রেড ইউনিয়ন ভিত্তিক নৈরাজ্যবাদের দিকে ঝুঁকেছিলেন। ইউরোপের সংহতিকরণের পক্ষে থাকা অনেক সংস্থার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছলেন। আলজেরীয় যুদ্ধের সময় (১৯৫৪–১৯৬২) তিনি নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছিলেন; আলজেরিয়ার বহুসংস্কৃতি ও বহুত্ববাদের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন যা বিতর্কের সৃষ্টি করে এবং বেশিরভাগ দলই কাম্যুর এই বক্তব্য মেনে নেয়নি।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →