বইয়ের পরিচয়

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হবে, পঞ্চত্ব প্রাপ্তি ঘটবে সমাজতন্ত্রের, একক পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের, তারই মোড়লীতে গড়ে উঠবে খ্রীষ্টবাদভিত্তিক একক নয়া বিশ্ব ব্যবস্থা-এর সবটাই প্রায় বাস্তবায়িত হয়েছে পরিকল্পনা মাফিক ঠিকঠাক মত। কিন্তু গোল বেঁধেছে এসে শেষের দিকে। সমাজতন্ত্রকে খতম করতে পারলেও নিষ্কণ্টক হয়নি পথ, শেষ হয়নি প্রতিবন্ধকতা, অবারিত হয়নি অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার মহাসড়ক।বাধার বিন্ধ্যাচল হয়ে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে ইসলাম। এই বাধা অপসারণ করা না গেলে, স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে, বাস্তবরূপ ধরে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না কোন দিন। তাই ইসলামই হচ্ছে হামলার একমাত্র লক্ষ্যবস্তু। কেবল তাদেরই নয়, জায়নবাদী ও ব্রাহ্মণ্যবাদীদেরও। এ ব্যাপারে ইহুদী, খ্রীষ্ট ও ব্রাহ্মণ্যবাদীদের লক্ষ্য এক ও অভিন্ন। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই বিশ্বব্যাপী চালানো হচ্ছে ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা, আজগুবি অপপ্রচার। ছড়ানো হচ্ছে ইসলামী মৌলবাদ ভীতি।

লেখক পরিচিতি

তসলিমা নাসরিন

1962 – বর্তমান

তসলিমা নাসরিন (জন্ম: ২৫ আগস্ট ১৯৬২) বাংলাদেশী-সুইডিশ লেখক, চিকিৎসক, নারীবাদী, ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী এবং কর্মী। তিনি নারী নিপীড়ন এবং ইসলাম ধর্মের সমালোচনা নিয়ে লেখার জন্য পরিচিত; তার কিছু বই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ। তিনি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য উভয় থেকেই বঙ্গীয় অঞ্চল থেকে কালো তালিকাভুক্ত এবং নির্বাসিত হয়েছেন। তিনি বিংশ শতাব্দীর আশির দশকে একজন উদীয়মান কবি হিসেবে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেন এবং তার রচনা ও ভাষণের মাধ্যমে লিঙ্গসমতা, মুক্তচিন্তা, নাস্তিক্যবাদ এবং ধর্মবিরোধী মতবাদ প্রচার করায় ইসলামপন্থীদের রোষানলে পড়েন ও তাদের নিকট হতে হত্যার হুমকি পেতে থাকায় ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করতে বাধ্য হন। তিনি ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে এক দশকেরও বেশি সময় বসবাস করার পর, তিনি ২০০৪ সালে ভারতে চলে আসেন, কিন্তু ২০০৮ সালে তাকে দেশ থেকে নির্বাসিত করা হয়। এরপর তিনি ভারত সরকার কর্তৃক ভারতে অজ্ঞাতবাসে অবস্থানের সুযোগ পান। বর্তমানে তিনি দিল্লিতে বসবাস করছেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →