বইয়ের পরিচয়

সু চিপটলার বনভ্রমণ ১১কলা প্রতিযোগিতা ও পটলা ৩৪হোঁৎকার দেবসেবা ৪০পটলার অদৃশ্য বন্ধু ৫০শ্রী কামড় বাবা ৬২কেঁচো খুঁড়তে কেউটে ৬৬হোঁৎকাদার সেবাব্রত ৭৫বরযাত্রী হোঁৎকা ৮৩পটলার কারসাজি ৯১পটলার ভোটরঙ্গ ১২১অদৃশ্য বন্ধু ১৫২পটলার নাট্যচর্চা ১৮৫হোঁৎকার কোঁৎকা ১৯৪ললিত চ্যালেঞ্জ শিল্ড ১৯৯নসুমামার কেরামতি ২১৪পটলার পক্ষীপ্রেম ২৪২কেষ্ট মামার কীর্তি ২৪৯মুখোশ ২৫৬সুন্দরবনের শয়তান ২৬৫

লেখক পরিচিতি

শক্তিপদ রাজগুরু

1922 – 2014

শক্তিপদ রাজগুরু (১ ফেব্রুয়ারি, ১৯২২ - ১২ জুন ২০১৪) একজন ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। মেঘে ঢাকা তারা তার জনপ্রিয়তম ও বিখ্যাত উপন্যাস। দীর্ঘজীবী এই সাহিত্যিক তিন শতাধিক গ্রন্থের লেখক। == জীবনী == শক্তিপদ রাজগুরুর জন্ম ১৯২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার গোপবান্দি গ্রামে। পিতা মণীন্দ্র নাথ ছিলেন মুর্শিদাবাদের একটি গ্রামের পোস্টমাস্টার। । তার স্কুল জীবন কেটেছে মুর্শিদাবাদের পাঁচথুপি টি এন ইন্সটিটিউশন স্কুলে। পরে বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ ও কলকাতা রিপন কলেজ পড়াশোনা করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি পরিণত বয়সে কলকাতায় আবাস গড়েন। কলকাতার সিঁথিতে তার বাড়ির সামনের রাস্তার নাম রাখা হয়েছে শক্তিপদ রাজগুরু সরণি। ছোটো থেকেই অসাধারণ স্মরণশক্তি ছিল তার। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দীর্ঘ কবিতাগুলিও মুখস্থ আবৃত্তি করতেন তিনি। পড়াশুনোর পাশাপাশি তিনি বেড়াতে ভালোবাসতেন। ছোটোনাগপুরের জঙ্গল, দণ্ডকারণ্যের বনানী তাকে গভীরভাবে আকর্ষণ করতো। অবসর পেলেই ভ্রমণে যেতেন এই জায়গাগুলিতে। উদ্বাস্তুদের নিয়ে লিখে তার জীবনে যশ আসে। কিন্তু তিনি উদ্বান্তু ছিলেন না। তিনি বলেছেন, “আমি উদ্বাস্তু নই, পশ্চিমবঙ্গের আদি বাসিন্দা৷ বাঁকুড়ায় আমাদের সাত পুরুষের ভিটে ছিল৷ কিন্তু আমার বাবা চাকরি করতেন ‘পোস্ট অ্যান্ড টেলিগ্রাফস’-এ৷ মুর্শিদাবাদ জেলার পাঁচথুপি গ্রামের পোস্ট মাস্টার ছিলেন৷ আমার বারো বছর বয়স অবধি সেখানে কেটেছে৷ তখন আমি ভাবতাম যে ওই জায়গাটা আমার জায়গা৷ কিন্তু বারো বছর পর বাবা যখন ট্রান্সফার হয়ে গেলেন তখন আমি আবিষ্কার করলাম যে এই মাটির আমি কেউ নই৷ সরকারের এক কলমের খোঁচায় আমার পায়ের তলা থেকে মাটিটা সরে গেল৷ বন্ধুবান্ধব, বারো বছরের ইতিহাস, স্মৃতি সব কিছু ছেড়ে আমি উদ্বাস্তু হয়ে পথে নামলাম৷” == সাহিত্যকর্ম == তার লেখালেখির সূচনা ১৯৪০ দশকের গোড়ার দিকে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →