ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন বইয়ের প্রচ্ছদ

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন

লেখক: মেরি শেলি

পৃষ্ঠা: 96

ISBN: 9789848794913

বইয়ের পরিচয়

এটি মধ্যযুগের একটি রহস্য কাহিনি। এতে খানিকটা প্রণয় আছে, আছে বিজ্ঞানের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার প্রয়াস। বিজ্ঞানের প্রতি নিবেদিত ছাত্র ভিক্টর ফ্র্যাষ্কেনস্টাইন উঠেপড়ে লেগেছে কীভাবে প্রাণ তৈরি করা যায়। নিজের আবিষ্কার করা প্রাণ কিসে দান বা আরোপ করবে সে? লাশ থেকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চুরি করা হলো। কিন্তু দৈত্যাকার একটা মানুষ তৈরি করার পর সেটার বীভৎস চেহারা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ল ভিক্টর, নিজের তৈরি প্রাণীকে ফেলে পালিয়ে গেল। ফ্র্যাষ্কেনস্টাইনের জনপ্রিয়তা সঙ্গে সঙ্গে তুঙ্গে উঠে গিয়েছিল। এই হরর এবং সায়েন্স ফিকশন শুধু যে রোমহর্ষক একটি গল্প উপহার দিয়েছে তা নয়, একই সঙ্গে প্রাণের প্রকৃতি এবং মহাবিশ্বে মানবজাতির স্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রশ্নও উত্থাপন করেছে : মানুষ বলতে কী বোঝায়? পরস্পরের প্রতি আমাদের কতটুকু দায়িত্ব রয়েছে? প্রকৃতির নিয়ম ভাঙার ক্ষেত্রে কতটা স্বাধীনতা আমাদের নেয়া উচিত? জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, অরগ্যান ডোনেশন আর বায়োটেররিজমের এই যুগে এসব প্রশ্ন এখন খুবই প্রাসঙ্গিক।

লেখক পরিচিতি

মেরি শেলি

1797 – 1851

ম্যারি উল্‌স্টোনক্রফট শেলি (ইংরেজি: Mary Wollstonecraft Shelley) (৩০শে আগস্ট , ১৭৯৭- ১লা ফেব্রুয়ারি, ১৮৫১) উনিশ শতকের ইংরেজ সাহিত্যিক। তিনি একাধারে একজন ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, জীবনীকার এবং ভ্রমণকাহিনী লেখিকা। তিনি রোমান্টিক এবং গথিক ধারার উপন্যাস রচনায় খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি বিখ্যাত উপন্যাস ফ্রাংকেনস্টাইন-এর (১৮১৮) রচয়িতা। তার পিতা ছিলেন প্রখ্যাত রাজনৈতিক দার্শনিক উইলিয়াম গডউইন, এবং তার মাতা ছিলেন দার্শনিক ও নারীবাদী ম্যারি উল্‌স্টোনক্রফট। তিনি ছিলেন আরেক বিখ্যাত ইংরেজ কবি পার্সি বিশি শেলীর স্ত্রী।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →