বইয়ের পরিচয়

"বাঙ্গালার ইতিহাস (১ম খণ্ড)" বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃবাঙ্গালার ইতিহাস এই কয়দিনে একরূপ পড়িয়াছি, আমার এ অবস্থায় নূতন বই পড়ার যেরূপ প্রথা দাঁড়াইয়াছে তার চেয়ে ভালই পড়িয়াছি। প্রথম ভাগ পূৰ্ব্বে পড়িয়াছিলাম, দ্বিতীয় ভাগ পড়িয়া সেইরূপ আনন্দ পাইলাম। কেবল আনন্দ কেন, অনেক নূতন কথা শিখিলাম। বাঙ্গালার ইতিহাসের পাঠান আমলের কথা সে কালের স্টুয়ার্ট ও লেথব্রিজের বহি হইতে যৎকিঞ্চিৎ জানিতাম। এ দিকে নূতন কি বাহির হইয়াছে তাহার কোনও খবর রাখি নাই। এই বহি হইতে সে সকল কথা জানিয়া শিখিলাম, এ জন্য তােমাকে গুরু বলিয়া কৃতজ্ঞতা স্বীকার করিতে গেলে যদি তােমার অকল্যাণ বােধ কর, তাহাতে ক্ষান্ত থাকিলাম...বাঙ্গালার ইতিহাস তােমার পাণ্ডিত্যের ও প্রতিভার উপযােগী হইয়াছে। বাঙ্গালা সাহিত্যও তােমার নিকট ঋণী হইল, কেন না এখন হইতে বাঙ্গালার ইতিহাস জানিতে হইলে বিদেশী পণ্ডিতদেরও এই বাঙ্গালা বহি আশ্রয় করিতে হইবে।- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী

লেখক পরিচিতি

রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়

1885 – 1930

রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় (এপ্রিল ১২, ১৮৮৫ – মে ২৩, ১৯৩০) ভারতের বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ও প্রত্নতত্ত্ববিদ। তিনি আর. ডি. ব্যানার্জি নামে পরিচিত। ১৯১১ সালে তিনি ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণে যোগ দেন। ১৯২২ সালে তিনি হরপ্পা সংস্কৃতির প্রধান কেন্দ্র মহেঞ্জোদাড়ো পুনরাবিষ্কার করেন। ১৯২৬ সালে তিনি অবসরগ্রহণ করেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →