ব্রাদার্স অ্যাট ওয়ার বইয়ের প্রচ্ছদ

ব্রাদার্স অ্যাট ওয়ার

লেখক: অ্যালেক্স রাদারফোর্ড

পৃষ্ঠা: 504

ISBN: 9789848975671

বইয়ের পরিচয়

১৫৩০ সাল, ভারতবর্ষের উত্তরাঞ্চলের শহর, আগ্রা। হুমায়ুন, সদ্য অভিষিক্ত দ্বিতীয় মোগল সম্রাট। নিঃসন্দেহে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি। তাঁর আব্বাজান বাবর, তাঁর জন্য অঢেল প্রাচুর্য, গৌরব এবং সেই সাথে খাইবার গিরিপথের দক্ষিণে হাজার মাইল প্রসারিত একটা সাম্রাজ্য রেখে ইন্তেকাল করেছেন। তাঁকে এখন অবশ্যই উত্তরাধিকার সূত্রেপ্রাপ্ত এই সাম্রাজ্য মজবুত করে গড়ে তুলতে এবং মোগলদের তাঁদের পূর্বপুরুষ, তৈমুরের উপযুক্ত হিসেবে প্রমাণ করতে হবে।কিন্তু হুমায়ুন নিজের অজান্তে ইতিমধ্যে ভয়ঙ্কর এক বিপদে অধঃপতিত হয়েছে। তাঁর সৎ ভাইয়েরা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে; তাঁদের ধারণা মোগল সেনাবাহিনীর অধিনায়কত্ব করার জন্য আর তাঁদের আরও গৌরবময় সম্মান দান করার মতো যথেষ্ট পরিমাণ শক্তি, ইচ্ছা আর নিষ্ঠুরতার অভাব রয়েছে।সম্ভবত তাঁদের কথাই ঠিক। হুমায়ুন অচিরেই ভয়ঙ্কর লড়াইয়ের মাঝে নিজেকে আবিস্কার করবে; নিজের সিংহাসনের জন্য না, নিজের জীবন বাঁচাতে, নিজের সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে তাঁকে প্রাণপণে লড়তে হবে।

লেখক পরিচিতি

অ্যালেক্স রাদারফোর্ড

অ্যালেক্স রাদারফোর্ড হলো দুই লেখক, তথা ডায়ানা প্রেস্টন এবং তার স্বামী মাইকেল প্রেস্টনের সম্মিলিত ছদ্মনাম। এই নামটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছয় খণ্ডের কল্প-ঐতিহাসিক উপন্যাস সিরিজ প্রেস্টন দম্পতি ইংল্যান্ডের খ্যাতনামা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাক্রমে ইতিহাস এবং ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করেছেন। তারা যখন তাজমহল নির্মাণ নিয়ে গবেষণা করছিলেন, তখন তাদের আগ্রহ জন্মায় যে রাজবংশ এটি নির্মাণ করেছিল অর্থাৎ মুঘল সাম্রাজ্যের - প্রাচীন ইতিহাস জানার। বছরের পর বছর ধরে তারা কিরগিজস্তানের ফারগানা উপত্যকা থেকে মুঘলদের পদচিহ্ন অনুসরণ করেছে - প্রথম মোঘল সম্রাট, বালক-বাদশাহ বাবরের আবাসস্থল - ইরান এবং উজবেকিস্তানের সমরকন্দের নীল গম্বুজ এবং মিনার পর্যন্ত, লাল মরুভূমি পেরিয়ে অক্সাস নদী পর্যন্ত, হিন্দুকুশের উপর দিয়ে কাবুল এবং আফগানিস্তান পর্যন্ত এবং খাইবার গিরিপথ হয়ে উত্তর ভারতের সমভূমিতে নেমে এসেছে। "মোঘল সাম্রাজ্য" বইটিতে ছয়টি খণ্ডে বিভক্ত। এই সিরিজের আগে প্রেস্টন দম্পতি শুধুই গবেষণাধর্মী অ-কাল্পনিক লেখা লিখতেন। এই ঐতিহাসিক উপন্যাস ছিল তাদের প্রথম সাহসী সাহিত্যিক পদক্ষেপ। তাই তারা একটি নতুন নাম গ্রহণ করেন, যাতে আগের লেখালেখি থেকে এই সিরিজ আলাদা থাকে। "রাদারফোর্ড" নামটি নেওয়া হয়েছে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড -এর নাম থেকে। আর "অ্যালেক্স" নামটি এমনভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে, যেন এটি ছেলে বা মেয়ের উভয় পরিচয়ে ব্যবহারযোগ্য হয়।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →