বইয়ের পরিচয়

উইকিপিডিয়া থেকে

মোসাদ (ইউকে: , ইউএস: ; হিব্রু ভাষায়: הַמּוֹסָד‎, IPA: [hamoˈsad]; আরবি: الموساد, প্রতিবর্ণীকৃত: al-Mōsād, আইপিএ: [almoːˈsaːd]; আক্ষ. 'সংস্থা'; পূর্ণনাম হিব্রু ভাষায়: המוסד למודיעין ולתפקידים מיוחדים‎, ha-Mosád le-Modiʿín u-le-Tafkidím Meyuḥadím, আক্ষ. 'গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান সংস্থা') হল ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আমান (সামরিক গোয়েন্দা) ও শিন বেতের (অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা) পাশাপাশি এটি ইসরায়েলি গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান সংগঠন। মোসাদ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমনে কাজ করে। এর পরিচালক সরাসরি এবং শুধু প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন। এর বার্ষিক বাজেট আনুমানিক প্রায় ১০ বিলিয়ন শেকেল ($২.৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং অনুমান করা হয় যে, এটি প্রায় ৭,০০০ লোককে সরাসরি নিয়োগ করে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম। মোসাদ অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা, যেমন: ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী বা ইসরায়েল নিরাপত্তা সংস্থা থেকে ভিন্ন, কেননা এর উদ্দেশ্য, লক্ষ্য, ভূমিকা, কার্যভার, ক্ষমতা বা বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়। মোসাদের কাজের রিপোর্ট ও গোয়েন্দা তথ্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে দিতে হয়। এর নীতিমালা ও কার্যক্রম অনেকটা যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ, যুক্তরাজ্যের এমআই৬ ও কানাডার সিএসআইএস এর অনুরূপ। মোসাদের হেডকোয়ার্টার তেলআবিবে। ইসরাইলের সীমানার বাইরে গোপনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা, শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলি যাতে বিশেষ ধরনের অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা এবং দেশে-বিদেশে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুর উপর হামলার ষড়যন্ত্র আগাম প্রতিরোধ করা, যেসব দেশে ইসরায়েলের অভিবাসন সংস্থা আইনত সক্রিয় হতে পারে না, সেই সব দেশ থেকে ইহুদিদের ইসরায়েলে নিয়ে আসার দায়িত্ব পালন করে ‘মোসাদ'।

উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗

Goodreads থেকে

ফ্ল্যাপ থেকে: নগর ঢাকার দীর্ঘ ৪০০ বছরের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে উত্তরণ, উন্নয়ন ও পতনের মধ্য দিয়ে বিকাশ ঘটেছে। সকল উত্থান-পতনের মাঝেও স্থানীয় অধিবাসীরা তাদের খাদ্য সংস্কৃতির ধারাবাহিক অভ্যাস বনেদি খাবারগুলাের চর্চা ঠিকই কালের ধারায় চলমান রেখেছে। ঢাকাই খাবার ও খাদ্য সংস্কৃতি’ গ্রন্থটি রচনা করা হয়েছে। তার খাদ্য অভ্যাসে যুক্ত হওয়া খাবারের তালিকা, উৎস, স্বাতন্ত্রতা সৃষ্টি, কীভাবে ঢাকাই খাবার। হিসেবে পরিচিতি পেল তার বর্ণনা এখানে পাওয়া যাবে। ঐতিহ্যের অংশ অনেক খাবার এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মের উত্তরণে হারিয়ে গেছে, কিছু বিলুপ্ত প্রায়। আবার অনেক খাবার বিবর্তিত রূপে যুক্ত হয়েছে তার খাদ্য তালিকায়। এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায় ভারতীয় উপমহাদেশের সব শহর থেকে ঢাকার বিশেষ খ্যাতিমান খাবার তালিকা অন্য শহর থেকে দীর্ঘ। যা এক বা দুইয়ে সীমাবদ্ধ নয়। এজন্যই বলা হয় ঢাকার খাদ্যবিলাস, তার রন্ধন প্রক্রিয়ায় নিজস্বতা খাবারগুলােকে বৈচিত্রতাই দান করেনি; করেছে। সার্বজনীন অনুকরণীয়। ঢাকার সৃষ্ট এবং বিখ্যাত সুতি কাবাব, পনির আর বাকরখানি। গ্রন্থটিতে মােগল ও নবাবি খাদ্যবিলাস থেকে শুরু করে ঢাকাই খাবারের তালিকা, উৎসবের খাবার, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খাদ্য অভ্যাস, পরিবেশন রীতি, ৪০ দশক পরবর্তী ঢাকার জনপ্রিয় হােটেল, রেস্তোরাগুলাের ইতিহাস এখানে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। গবেষণাধর্মী এই গ্রন্থে ঢাকার আদিবাসিন্দাদের অভিজ্ঞতা, স্মৃতি যাচাইপূর্বক সুনিদিষ্ট তথ্যগুলােই উপস্থাপিত হয়েছে।

সূত্র: Goodreads ↗