রবার্টসনের রুবি (উপন্যাস) (১৯৯১) বইয়ের প্রচ্ছদ

রবার্টসনের রুবি (উপন্যাস) (১৯৯১)

লেখক: সত্যজিৎ রায়

পৃষ্ঠা: 71

ISBN: 9788172151898

বইয়ের পরিচয়

"রবার্টসনের রুবি" বইয়ে লেখা প্রকাশকের নিবেদনসত্যজিৎ রায়ের সর্বশেষ ফেলুদা-কাহিনী রবার্টসনের রুবি’ প্রায় দুবছর আগে প্রথম ছাপা হয় শারদীয় দেশ (১৩৯৯) পত্রিকায়। এ বছর ২ মে তাঁর ৭৪-তম জন্মদিনে সেটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হল—এই অনন্য স্রষ্টার প্রতি আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।দুভাগ্যের বিষয়, ঢাকা থেকে এক অসাধু ব্যবসায়ী এবছরই ফেব্রুয়ারিতে মূল ছবিগুলিসহ বইটির একটি জাল ও অননুমোদিত সংস্করণ প্রকাশ করেছে। প্রকাশকের বক্তব্যে “কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে দেশ-সম্পাদক ও “সত্যজিৎ রায় তনয়”-এর কাছে ! অথচ উভয়েই জানিয়েছেন, এই প্রকাশনার বিন্দুবিসর্গ তাঁরা জানেন না।আরো আশ্চর্যের কথা, বাংলাদেশের ঐ অবৈধ সংস্করণটি অসংখ্য ভুলে ভরা—এমন কি মূলের কিছু কিছু অংশ এতে বাদ পড়ে গেছে। ওদেশের ফেলুদা তথা সত্যজিৎ-অনুরাগীদের যে এই ভেজাল মুদ্রণটি যথেষ্ট প্রবঞ্চিত করবে তাতে সন্দেহ নেই।সত্যজিৎ-রচনার এ-জাতীয় আরো কিছু জাল সংস্করণ বাংলাদেশে প্রকাশিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে ওদেশের সৎ ও বিবেকবান মানুষ অবশ্যই তাঁদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাবেন।২ মে ১৯৯৪

লেখক পরিচিতি

সত্যজিৎ রায়

1921 – 1992

সত্যজিৎ রায় (বাংলা: [ˈʃotːodʒit ˈrae̯] ; (২ মে ১৯২১ – ২৩ এপ্রিল ১৯৯২) ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, শিল্প নির্দেশক, সংগীত পরিচালক এবং লেখক। তাকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয়। সত্যজিতের জন্ম কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্প সমাজে খ্যাতনামা রায় পরিবারে। তার পূর্বপুরুষের ভিটা ছিল তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জে মহকুমার (বর্তমানে বাংলাদেশ) কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া গ্রামে। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী চলচ্চিত্র লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে (ইতালীয়: Ladri di biciclette, বাইসাইকেল চোর) দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন। চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তার কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী (১৯৫৫) ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, এর মধ্যে অন্যতম ১৯৫৬ কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানুষে-আবর্তিত প্রামাণ্যচিত্র” (Best Human Documentary) পুরস্কার। পথের পাঁচালী, অপরাজিত (১৯৫৬) ও অপুর সংসার (১৯৫৯) – এই তিনটি একত্রে অপু ত্রয়ী নামে পরিচিত, এবং এই চলচ্চিত্র-ত্রয়ী সত্যজিতের জীবনের শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসেবে বহুল স্বীকৃত। চলচ্চিত্র মাধ্যমে সত্যজিৎ চিত্রনাট্য রচনা, চরিত্রায়ন, সঙ্গীত স্বরলিপি রচনা, চিত্রগ্রহণ, শিল্প নির্দেশনা, সম্পাদনা, শিল্পী-কুশলীদের নামের তালিকা ও প্রচারণাপত্র নকশা করাসহ নানা কাজ করেছেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →