বইয়ের পরিচয়

"রৌদ্র করোটিতে" বইটির সূচিপত্র:দুঃখ ৯ ৪৬ অস্তিত্বের তন্ময় দেয়ালেখুপরির গান ১২ ৪৮ লালনের গান।আমার মাকে ১৪ ৫০ উদয়াস্ত দেখি ছায়ামায়ের চোখে ১৬ ৫২ ক্ষয়চেনা অচেনার সঙ্গত ১৭ ৫৩ মেষতন্ত্রছুঁচোর কেত্তন ১৮ ৫৪ হাতির শুঁড়পার্কের নিঃসঙ্গ খঞ্জ ২০ ৫৫ ইচ্ছে তার ইচ্ছেতিনটি বালক ২২ ৫৬ কৃতজ্ঞতা স্বীকারযখন রবীন্দ্রনাথ ২৩ ৫৭ নরমুণ্ডের নৃত্যেকাদের জন্যে ২৫ ৫৯ পুরাকালেএকজন লােক ২৬ ৬০ অনুস্মৃতিআত্মপ্রতিকৃতি ২৭ ৬২ শীতরাত্রির সংলাপএকটি মৃত্যুবার্ষিকী ২৮ ৬৩ ইতিহাস, তােমাকেশিকি জ্যোৎস্নার আলাে ৩০ ৬৫ রবীন্দ্রনাথের প্রতিএকটি দৃশ্যের আড়ালে ৩১ ৬৭ স্বগত ভাষণসূর্যাবর্ত ৩২ ৬৯ খেলনার দোকানের সামনে ভিখিরিএকটি জীবনচরিত ৩৫ ৭২ মূল্যের উপমাডায়েরির একটি পাতা ৩৭ ৭৩ পিতার প্রতিকৃতিআত্মহত্যার আগে ৩৮আজীবন আমি ৪১ ৭৫ শনাক্ত পত্র।রূপান্তর ৪৩ ৭৭ দুপুরের মাউথ অর্গানমাথায় ভাবনা নিয়ে ৪৪ ৭৮ শুধু প্রশ্নে বিদ্ধ আমিযদি ইচ্ছে হয় ৪৫ ৭৯ রৌদ্র করােটিতে

লেখক পরিচিতি

শামসুর রাহমান

1929 – 2006

শামসুর রাহমান (২৩ অক্টোবর ১৯২৯ - ১৭ আগস্ট ২০০৬) বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। জীবদ্দশাতেই তিনি বাংলাদেশের প্রধান কবি হিসেবে মর্যাদালাভ করেছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগ, তথা পঞ্চাশের দশকে তিনি আধুনিক কবি হিসেবে বাংলা কবিতায় আবির্ভূত হন এবং অল্প সময়ের ভেতরেই দুই বাংলায় (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম বাংলায়) কবি হিসেবে পরিচিতি পান। আধুনিক কবিতার অনন্য পৃষ্ঠপোষক বুদ্ধদেব বসুর 'কবিতা' পত্রিকায় 'রূপালি স্নান' কবিতাটি প্রকাশিত হলে কবি হিসেবে শামসুর রাহমান সুধীজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরবর্তীতে উভয় বাংলাতেই তার শ্রেষ্ঠত্ব এবং জনপ্রিয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি নাগরিক কবি, তবে নিসর্গ তার কবিতায় খুব কম ছিল না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ওপর লিখিত তার দুটি কবিতা খুবই জনপ্রিয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি মজলুম আদিব (বিপন্ন লেখক) ছদ্মনামে কলকাতার বিখ্যাত দেশ ও অন্যান্য পত্রিকায় কবিতা লিখতেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →