বইয়ের পরিচয়

বই এর প্রথম ফ্লাপএকই ব্যক্তির দুই নাম। রাজশেখর বসু ও পরশুরাম। ‘বাঙালী সাহিত্যিক- গণের অগ্রজস্বরূপ, বাংলা সাহিত্যের নিয়ামক, নায়ক ও লোকশিক্ষক' রূপে রাজশেখর বসু বিংশ শতকের বাংলার প্রণম্য পুরুষ। পাণিনিকে বলা হতো অশেষবিৎ, রাজশেখর বসুও ছিলেন অশেষবিৎ।পরশুরামের প্রথম রচনা পড়ে রবীন্দ্রনাথ রসায়নাগারে অনপেক্ষিত রসস্রষ্টা বনস্পতিকে দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন, কিন্তু রাজশেখর বসুর সব কিছুই বিস্ময়কর। রাসায়নিক, যন্ত্রবিজ্ঞানী, কুটিরশিল্পজ্ঞ, দক্ষ ব্যবসায় পরিচালক, ভাষাবিজ্ঞানী, শাস্ত্রবিদ, আভিধানিক ও রসস্রষ্টা,—একসঙ্গে এতগুলি গুণের সমাবেশ অসম্ভব মনে হয়, কিন্তু রাজশেখরের মধ্যে বাংলার সুধীসমাজ ও সাধারণ মানুষ এইসব গুণ প্রত্যক্ষ করেছেন। উনিশ শতকের প্রাণরসে সঞ্জীবিত ও প্রজ্বলিত দ্বৈত নামের বহু বিচিত্র ব্যক্তিত্বের অধিকারী এই মানুষটি ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাণপুরুষ ।

লেখক পরিচিতি

রাজশেখর বসু (পরশুরাম)

1880 – 1960

রাজশেখর বসু (মার্চ ১৬, ১৮৮০ - এপ্রিল ২৭, ১৯৬০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক, অনুবাদক, রসায়নবিদ ও অভিধান প্রণেতা। তিনি পরশুরাম ছদ্মনামে তাঁর ব্যঙ্গকৌতুক ও বিদ্রুপাত্মক কথাসাহিত্যের জন্য প্রসিদ্ধ। গল্পরচনা ছাড়াও স্বনামে প্রকাশিত কালিদাসের মেঘদূত, বাল্মীকি রামায়ণ (সারানুবাদ), কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাসকৃত মহাভারত (সারানুবাদ), শ্রীমদ্‌ভগবদ্‌গীতা ইত্যাদি ধ্রুপদি ভারতীয় সাহিত্যের অনুবাদগ্রন্থগুলিও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। চলন্তিকা অভিধান প্রণয়নের জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিতি। সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে রবীন্দ্র পুরস্কারে ও ভারত সরকার পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করে। ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে আনন্দীবাঈ ইত্যাদি গল্প গ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →