লার্নিং হাউ টু ফ্লাই বইয়ের প্রচ্ছদ

লার্নিং হাউ টু ফ্লাই

লেখক: এ পি জে আবদুল কালাম

পৃষ্ঠা: 115

ISBN: 9847002100250

বইয়ের পরিচয়

"লার্নিং হাউ টু ফ্লাই" বইয়ের ফ্ল্যাপে লিখা:এ পি জে আবদুল কালাম ২০০২ থেকে ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব, “ভারতরত্ন” লাভ করেন। অধিকন্তু, তিনি “পদ্মভূষণ” এবং “পদ্মবিভূষণ” খেতাব লাভ করেছিলেন। ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দের ১৫ই অক্টোবর তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম নামক স্থানে আবদুল কালামের জন্ম। তিনি মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অভ টেকনােলজিতে এ্যারােনটিক্যাল প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ১৯৮০ সালে ভারতের প্রথম ভূ-উপগ্রহ রােহিণী উৎক্ষেপণের পিছনে তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করেন। ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাপনা। এবং পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রেও আবদুল কালামের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি TIFAC (Technology Information, Forecasting and Assesment Council)-এর চেয়ারম্যান হিসাবে আরাে পাঁচশত বিশেষজ্ঞের সহযােগিতায় ভারতকে স্বপ্ন-২০২০ বাস্তবায়নের পথে অনেকদূর এগিয়ে দিয়েছেন। ভারত যাতে একটি উন্নত দেশে পরিণত হতে পারে সে জন্য তিনি রূপরেখা প্রণয়ন করেছেন। ২৭ শে জুলাই, ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি পরলােক গমন করেন।"লার্নিং হাউ টু ফ্লাই" বইয়ের সূচিপত্র:১. আমি উড়বই ১১২. শ্রেষ্ঠত্বের সংস্কৃতি গড়ে তােলা ১৭৩. তারুণ্যের প্রজ্বলিত মন ২৮৪. আজীবন জ্ঞান সাধনা ৩৮৫. জীবনযাত্রা পরিচালন ৪৫৬. উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা ৫৩৭. আপনি অদ্বিতীয় হােন ৬১৮. বিজ্ঞান আপনাদেরকে কী দিতে পারে? ৬৫৯. তিন বিলিয়ন মানুষের ক্ষমতায়ন ৬৯১০. পরিবর্তিত হােন ৭৩১১. শ্রেষ্ঠত্বের জন্য সংগ্রাম ৭৮১২. বই আমাদের পথপ্রদর্শক ৮১১৩. প্রত্যেকের হাতে একখানা বই ৮৫১৪. ভবিষ্যৎকে পাল্টিয়ে দেয়া ৯০১৫. মেধা ও সহমর্মিতা ৯৪১৬. শিশু থেকে নেতা ৯৮১৭. সৃজনশীল নেতার ক্রমবিকাশ ১০৩১৮. হৃদয়ের সুস্থতা ১১২

লেখক পরিচিতি

এ পি জে আবদুল কালাম

1931 – 2015

আভুল পাকির জয়নুলাবেদিন আবদুল কালাম (বাংলা: /abdul kalam/; তামিল: அவுல் பக்கிர் ஜைனுலாபுதீன் அப்துல் கலாம்; ১৫ অক্টোবর ১৯৩১ - ২৭ জুলাই ২০১৫) একজন ভারতীয় পরমাণু বিজ্ঞানী ছিলেন যিনি ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের একাদশ রাষ্ট্রপতি (২০০২ - ২০০৭) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার জন্ম বর্তমান ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের রামেশ্বরমে। তিনি পদার্থবিদ্যা বিষয়ে সেন্ট জোসেফস কলেজ থেকে এবং বিমান প্রযুক্তিবিদ্যা (এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) বিষয় নিয়ে মাদ্রাজ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) থেকে পড়াশোনা করেছিলেন। চল্লিশ বছর তিনি প্রধানত রক্ষা অনুসন্ধান ও বিকাশ সংগঠন (ডিআরডিও) ও ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় (ইসরো) বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান প্রশাসক হিসেবে কাজ করেন। ভারতের অসামরিক মহাকাশ কর্মসূচি ও সামরিক সুসংহত নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও উৎক্ষেপক যান রকেট উন্নয়নের কাজে তার অবদানের জন্য তাকে ‘ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র মানব’ বা ‘মিসাইল ম্যান অফ ইন্ডিয়া’ বলা হয়। ১৯৯৮ সালে পোখরান-২ পরমাণু বোমা পরীক্ষায় তিনি প্রধান সাঙ্গঠনিক, প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেন। এটি ছিলো ১৯৭৪ সালে স্মাইলিং বুদ্ধ নামে পরিচিত প্রথম পরমাণু বোমা পরীক্ষার পর দ্বিতীয় পরমাণু বোমা পরীক্ষা। ২০০২ সালে কালাম তৎকালীন শাসকদল ভারতীয় জনতা পার্টি ও বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সমর্থনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পাঁচ বছর এই পদে আসীন থাকার পর তিনি শিক্ষাবিদ, লেখক ও জনসেবকের সাধারণ জীবন বেছে নেন। ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্নসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছিলেন কালাম।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →