বইয়ের পরিচয়

শিবনাথবাবু একটি স্কুলের শিক্ষক। স্কুল বসে দুপুরে। একই স্কুলের বালিকা বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা মঞ্জরী। তাঁর স্কুল শুরু হয় সকাল সাড়ে ছ’টায়। বিবাহিত জীবনে চূড়ান্ত অসফল মঞ্জরী এখন স্বামীহীনা। শিবনাথ-ও বিপত্নীক। ছেলেদের বিভাগ এবং মেয়েদের বিভাগ প্রতি বছর একইসঙ্গে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করে সেই বিদ্যালয়ে। বছরে একবার করে সেই অনুষ্ঠানে প্রৌঢ় সৌম্য শিবনাথ দুটি করে রবীন্দ্রসংগীত শোনান। মঞ্জরী নিজের অজান্তেই কবে থেকে যেন বছরের সেই দিনটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। স্কুলে যাওয়া-আসার পথেও দু’জনের হঠাৎ-হঠাৎ দেখা হয়ে যায়। মঞ্জরীর অনুরোধে শিবনাথ আসতে শুরু করেন মঞ্জরীর বাড়ি গান শোনাতে। শিবনাথকে মেনে নেয় না মঞ্জরীর প্রাপ্তবয়স্ক পুত্র শেখর। মঞ্জরীর সন্তানের প্রবল বাধার সামনে শিবনাথ আর আসতে চান না মঞ্জরীর বাড়ি। মঞ্জরী কী করেন? দুই নর-নারী, যাঁরা যৌবন পিছনে ফেলে এসেছেন অনেকদিন, কেমন হয় তাঁদের সান্ধ্য-সংলাপ? কোথায় পৌঁছয় এই কাহিনি?

লেখক পরিচিতি

জয় গোস্বামী

1954 – বর্তমান

জয় গোস্বামী (জন্ম: ১০ নভেম্বর ১৯৫৪) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত একজন আধুনিক বাঙ্গালী কবি। ভারতীয় পশ্চিম বাংলার এই কবি বাংলা ভাষার উত্তর-জীবনানন্দ পর্বের অন্যতম জনপ্রিয় কবি হিসাবে পরিগণিত। তার কবিতা চমৎকার চিত্রকল্পে, উপমা এবং উৎপ্রেক্ষায় ঋদ্ধ। তিনি দুবার আনন্দ পুরস্কার লাভ করেছেন। বজ্রবিদ্যুৎ-ভর্তি খাতা কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি পুরস্কার অর্জন করেন। তার কবিতার একটি বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি ‘‘অতল তোমার সাক্ষাৎ পেয়ে চিনতে পারিনি বলে / হৃদি ভেসে গেল অলকানন্দা জলে'’’। তাঁর রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যোপন্যাসটি হল, 'যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল'।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →