বইয়ের পরিচয়
উইকিপিডিয়া থেকে
শীলা (জন্ম ২৪ মার্চ ১৯৪৫) হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি মূলত মালয়ালম চলচ্চিত্রে অভিনয় করে থাকেন। প্রেম নাজিরের সাথে যুগলবন্দী হয়ে তারা প্রধান অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসেবে ১৩০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যা গিনেজ বিশ্ব রেকর্ড বইতে স্থান করে নেয়। ২০০৫ সালে তিনি মালয়ালম চলচ্চিত্র অকাল-এ অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে কেরল রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং শ্রেষ্ঠ মালয়ালম অভিনেত্রী বিভাগে একটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ ও ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দক্ষিণ অর্জন করেন। তিনি মালয়ালম চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহীতা অভিনেত্রী, তার সময়ে তিনি তার পুরুষ সহশিল্পীর থেকে অধিক পারিশ্রমিক পেতেন।
উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗রকমারি থেকে
বই এর প্রথম ফ্লাপ শুরুতে ফেলুর বয়স ছিল সাতাশ আঠাশ। এখন পঁয়ত্রিশে এসে থেমে গেছে। এসব চরিত্রের বয়স বাড়ানো চলে না। আগাথা ক্রিস্টির গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারোর প্রথম আবির্ভাব ১৯২৩-য়ে। তখনই তিনি কাজ থেকে অবসর নিয়েছেন। অর্থাৎ তাঁর বয়স পঞ্চাশের উপর তো বটেই। সেই থেকে শুরু করে প্রায় ষাট বছর ধরে একের পর এক রহস্যের সমাধান করে গেছেন পোয়ারো। নিয়মমতো শেষের দিকে তাঁর বয়স হওয়া উচিত ছিল একশোর বেশি। ফেলুদার আবির্ভাব পঁচিশ বছর আগে। ফেলুর মাথার চুলে পাক ধরেছে এ তথ্য ফেলুর ফ্যানেরা গলাধঃকরণ করবে কি? সত্যজিৎ রায় '১৯৯০