সূর্য তুমি সাথী (উপন্যাস) বইয়ের প্রচ্ছদ

সূর্য তুমি সাথী (উপন্যাস)

লেখক: আহমদ ছফা

পৃষ্ঠা: 100

ISBN: 9789844066565

বইয়ের পরিচয়

উইকিপিডিয়া থেকে

সূর্য তুমি সাথী বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও লেখক আহমদ ছফা রচিত প্রথম উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৬৪-৬৫ সালের দিকে রচিত এবং ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। সূর্য তুমি সাথী উপন্যাসটিকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির হৃদয়গ্রাহী উপাখ্যান বলা হয়েছে।

উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗

রকমারি থেকে

‘সূর্য তুমি সাথী’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথাঃ এতো অল্প বয়সে এতোটা শৈল্পিক পরিপক্কতা আমার কল্পনারও অতীত। অধ্যাপক আবুল ফজল ‘সূর্য তুমি সাথী’ এই উপন্যাসটিতে সমাজের বাস্তব ছবি আশ্চর্য গতিশীলতায় বাঁধা পড়েছে। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (আকাশবাণী) শিল্প-সাহিত্য শুধু যদি আনন্দ প্রকাশের বাহন না হয়ে থাকে এবং শিল্পীর সামাজিক দায়িত্ব বলে কিছু থাকে। তা’হলে আহমদ ছফা একজন যথার্থ শিল্পীর কাজ করেছেন। মাসিক সমকাল সাম্প্রদায়িকতার গোবর গাদা থেকে চেতনার মুক্তি সাধনে এ উপন্যাস একটা বড়ো ভূমিকা পালন করবে। ছফা একটা দুঃসাহসী কাজ করেছেন, এ কথা মানতেই হবে। রণেশ দাশগুপ্ত এই উপন্যাসের ঠাকুরমা চরিত্রটির মতো আদর্শ নারী চরিত্র গোটা বাংলা সাহিত্যে অধিক নেই। সাপ্তাহিক দেশ কী বলিষ্ঠ তোমার লেখনী। তোমার বক্তব্য গতানুগতিক নয় একেবারে নিজস্ব। বইয়ের পাতায় পাতায় বিস্ময়। মনোজ বসু ‘সূর্য তুমি সাথী’ বইটির লেখকের নাম না জেনে যদি পড়তাম, তা’হলে আমি বলতাম তারাশঙ্কর বাবুর লেখা। একজন পাঠকের পত্ৰ কোন কোন বইপত্র লেখা হয়, প্রকাশকালে তাদের যথার্থ মূল্যায়ন হয় না। “সূর্য তুমি সাথী’ও এমন একটি। আশার কথা উপন্যাসটির প্রতি সকলের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দৈনিক বাংলা চতুর্থ সংস্করণের ভূমিকা মা বাবার পথম সন্তানের মতো ‘সূর্য তুমি সাথী’র উপর আমার একটি পক্ষপাত বরাবর থেকেই যাবে। বইটি প্রথম ষ্টুডেন্ট ওয়েজ থেকে ১৯৬৭ সালের দিকে ছাপা হয়েছিলো। লিখেছিলাম তারও প্রায় দু বছর আগে। তখন আমার বয়স বড়ো জোর একুশ। এই লেখাটির ভেতর তরুণ বয়সের আবেগ উত্তাপ সবটাই চারিয়ে দিয়েছিলাম। যে গভীর বেদনা এবং অসহ্য আনন্দ আমি এই বইটি লেখার সময়ে অনুভব করেছিলাম, সেই বেদনা, সেই আনন্দের রেশ আমার মর্মকোষে অক্ষয় হয়ে রয়েছে। ‘সূর্য তুমি সাথী’র প্রথম সংস্করণের পরে আরও দুটো সংস্করণ বেরিয়েছে দুটো আলাদা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে। তার মধ্যে একটি কোলকাতা থেকে। অনেকদিন পর চতুর্থ সংস্করণটি আবার স্টুডেন্ট ওয়েজ থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। ষ্টুডেন্ট ওয়েজ থেকে বইটি প্রকাশ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। মনে হচ্ছে আবার ঘরে ফিরে আসছি। এতে শেষ নয়। আরো কিছু সংবাদ দেয়ার আছে। ষ্টুডেন্ট ওয়েজের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ হাবিবউল্লাহ সাহেব আর বেঁচে নেই। তার বড়ো ছেলে মোহাম্মদ ওহিদউল্লাহ্ যিনি হাত ধরে আমাকে গ্ৰন্থ জগতে নিয়ে এসেছিলেন, তিনিও আজকাল প্রকাশনার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ওই পরিবারের কনিষ্ঠ সন্তান শ্ৰীমান মোহাম্মদ লিয়াকতউল্লাহ এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়েছে। লিয়াকত শুধু আমার একাধিক বই ছাপছে না- আমার ভ্রাতপুত্র নূরুল আনোয়ারের প্রথম বইটিও প্রকাশের দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা যেমন দু’পুরুষ লেখক ষ্টুডেন্ট ওয়েজও দুপুরুষ ধরে প্রকাশক। এটা আমার কাছে খুবই আনন্দের। এ ধরনের ঘটনা তো সচরাচর ঘটেনা। ১৬৬ ময়মনসিংহ রোড ঢকা ১১০০ আহমদ ছফা ২১ শে ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৩ বইটি সম্পর্কে কয়েকটি অভিমতঃ এতো অল্প বয়সে এতোটা শৈল্পিক পরিপক্কতা আমার কল্পনারও অতীত। অধ্যাপক আবুল ফজল ‘সূর্য তুমি সাথী’ এই উপন্যাসটিতে সমাজের বাস্তব ছবি আশ্চর্য গতিশীলতায় বাঁধা পড়েছে। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (আকাশবাণী) শিল্প-সাহিত্য শুধু যদি আনন্দ প্রকাশের বাহন না হয়ে থাকে এবং শিল্পীর সামাজিক দায়িত্ব বলে কিছু থেকে থাকে তা’হলে আহমদ ছফা। একজন যথার্থ শিল্পীর কাজ করেছেন। মাসিক সমকাল সাম্প্রদায়িকতার গোবর গাদা থেকে চেতনার মুক্তি সাধনে এ উপন্যাস একটা বড়ো ভূমিকা পালন করবে। ছফা একটা দুঃসাহসী কাজ করেছেন, এ কথা মানতেই হবে। রণেশ দাশগুপ্ত এই উপন্যাসের ঠাকুরমা চরিত্রটির মতো আদর্শ নারী চরিত্র গোটা বাংলা সাহিত্যে অধিক নেই। সাপ্তাহিক দেশ কী বলিষ্ঠ তোমার লেখনী। তোমার বক্তব্য গতানুগতিক নয় একেবারে নিজস্ব। বইয়ের পাতায় পাতায় বিস্ময়। মনোজ বসু ‘সূর্য তুমি সাথী’ বইটির লেখকের নাম না জেনে যদি পড়তাম, তা’হলে আমি বলতাম তারাশঙ্কর বাবুর লেখা। একজন পাঠকের পত্ৰ কোন কোন বইপত্র লেখা হয়, প্রকাশকালে তাদের যথার্থ মূল্যায়ন হয় না। ‘সূর্য তুমি সাখী’ ও এমন একটি। আশার কথা উপন্যাসটির প্রতি সকলের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দৈনিক বাংলা

Goodreads থেকে

সূচীপত্র: * ওঙ্কার ১৭-৪০ * আলি কেনান ৪১-৯৬ * মরণ বিলাস ৯৭-১৫৬ * অলাত চক্র ১৫৭-২৮৫ * সূর্য তুমি সাথী ২৮৭-৩৭৯

সূত্র: Goodreads ↗

লেখক পরিচিতি

আহমদ ছফা

1943 – 2001

আহমদ ছফা (৩০ জুন ১৯৪৩ - ২৮ জুলাই ২০০১) ছিলেন একজন বাংলাদেশি লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি, চিন্তাবিদ ও গণবুদ্ধিজীবী। জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক ও সলিমুল্লাহ খান সহ আরো অনেকের মতে, মীর মশাররফ হোসেন ও কাজী নজরুল ইসলামের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি মুসলমান লেখক হলেন আহমদ ছফা। তার লেখায় বাংলাদেশি জাতিসত্তার পরিচয় নির্ধারণ প্রাধান্য পেয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে রচিতবুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস (১৯৭২) প্রবন্ধগ্রন্থে আহমদ ছফা বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের মানচিত্র অঙ্কন করেন এবং বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবীদের সুবিধাবাদিতার নগ্ন রূপ উন্মোচন করেন তথা বুদ্ধিজীবীদের সত্যিকার দায়িত্বের স্বরূপ ও দিকনির্দেশনা বর্ণনাপূর্বক তাদের সতর্ক করে দিতে বুদ্ধিজীবীদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশের কী দুর্দশা হতে পারে তা সম্পর্কে ভবিষ‍্যদ্বাণী করেন। আহমদ ছফা তার বিখ্যাত "বাঙালি মুসলমানের মন" (১৯৭৬) প্রবন্ধে বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়ের হাজার বছরের বিবর্তন বিশ্লেষণপূর্বক তাদের পশ্চাদগামিতার কারণ অনুসন্ধান করেছেন। আনিসুজ্জামান ও সলিমুল্লাহ খানসহ আরো অনেকে ছফার বাঙালি মুসলমানের মন (১৯৮১) প্রবন্ধসংকলনটিকে বাংলা ভাষায় রচিত গত শতাব্দীর 'সেরা দশ চিন্তার বইয়ের' একটি বলে মনে করেন। ছফা রচিত প্রতিটি উপন্যাসই ভাষিক সৌকর্য, বিষয়বস্তু ও রচনাশৈলীর অভিনবত্বে অনন্য। মানসিক, সাংস্কৃতিক ও আর্থসামাজিক সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুষঙ্গসহ ছফার চরিত্র সৃষ্টির তথা কাহিনিকথনের পারঙ্গমতা অসামান্য। আবুল ফজল ও আরো অনেকের মতে ছফার ওঙ্কার (১৯৭৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সর্বোত্তম সাহিত্যিক বহিঃপ্রকাশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে রচিত গাভী বিত্তান্ত (১৯৯৫) বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাসগুলোর একটি।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →