বইয়ের পরিচয়

“সোনালী কাবিন” বইটির ফ্ল্যাপের কথাঃ‘সােনালী কাবিন সাম্প্রতিক কবিতা ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা দ্রোহী কবিতা, সর্বাপেক্ষা যৌন কবিতাও সম্ভবত, কেননা আল মাহমুদ এমন একজন। শক্তিশালী অর্জুন, যিনি কামনাযৌনতার ধনুতেও অনায়াসে বিপ্লবের ছিলা পরাতে পারেন, অথবা বিপ্লবের বল্লমের ফলায় খচিত করতে পারেন রতির কারুকাজ। অধুনা দেখছি তার ইসলামী কবিতাও স্বচ্ছ বহির্বাসের নিচেই যেন তাপিত স্তনবৃন্তের মতাে মৃদু কাঁপতে থাকে...সূচিপত্রঃপ্রকৃতি* বাতাসের ফেনা* দায়ভাগ* কবিতা এমন* আসে না আর* অবগাহণের শব্দ* তােমার হাতে* এই সম্মােহনে* প্রত্যাবর্তনের লজ্জা* নতুন অব্দে* পলাতক* অন্তরভেদী অবলােকন* আভূমি আনত হয়ে* স্বপ্নের সানুদেশে* পালক ভাঙার প্রতিবাদে* যার স্মরণে* কেবল আমার পদতলে* এক নদী* জাতিস্মর* চোখ যখন অতীতাশ্রয়ী হয়* আত্মীয়ের মুখ* তােমার আড়ালে* ভাগ্যরেখা* শােণিতে সৌরভ* সাহসের সমাচার* চোখ* স্তদ্ধতার মধ্যে তার ঠোট নড়ে* উল্টানাে চোখ* আমি আর আসবাে না বলে* নদী তুমি।* বােধের উৎস কই, কোন্ দিকে?* সত্যের দাপটে* আমার চোখের তলদেশে* ক্যামােফ্লাজ* আমার অনুপস্থিতি* খড়ের গম্বুজ* আঘ্রাণে।* আমার প্রাতরাশে* আমিও রাস্তায়* তরঙ্গিত প্রলােভন* সোনালী কাবিন* আল মাহমুদের সোনালী কাবিন অন্তরঙ্গ অবলোকন

লেখক পরিচিতি

আল মাহমুদ

1936 – 2019

আল মাহমুদ (১১ জুলাই ১৯৩৬ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্‌ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন প্রবাসী সরকারের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সরকার বিরোধী সংবাদপত্র দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২-১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৫০-এর দশকে যে কয়েকজন লেখক বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে মাহমুদ একজন। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্যও খ্যতি অর্জন করেছিলেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →