বইয়ের পরিচয়

উইকিপিডিয়া থেকে

হারুকি মুরাকামি (村上 春樹, মুরাকামি হারুকি, জন্ম ১২ জানুয়ারি ১৯৪৯) একজন জনপ্রিয় জাপানি লেখক। তিনি একবিংশ শতাব্দীর প্রথম কোয়ার্টারের পৃথিবীতে জনপ্রিয়তম কথাসাহিত্যি। তার প্রায় সব বই দীর্ঘ কাল যাবৎ আন্তর্জাতিকভাবে বেস্টসেলার হয়ে আসছে। নানা বই বাংলা সহ সারাবিশ্বে মোট ৫০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তার বই তার নিজের দেশ জাপানের বাইরেও কয়েক লাখ কপিরও বেশি বিক্রি হয়েছে। দি গার্ডিয়ান-এর স্টিভেন পুলের তার মতে মুরাকামি তার কর্ম ও অর্জনের পৃথিবীর সেরা জীবিত ঔপন্যাসিকদের একজন। সাহিত্যে তার অবদানের জন্য বিভিন্নসময় মুরাকামি বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে বিশ্ব ফ্যান্টাসি পুরস্কার, ফ্র্যাঙ্ক ও'কনর আন্তর্জাতিক ছোট গল্প পুরস্কার, ও ফ্রান্‌ৎস কাফকা পুরস্কার। মুরাকামির উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে আ ওয়াইল্ড শিপ চেজ (১৯৮২), নরওয়েজিয়ান উড (১৯৮৭), দি ওয়াইন্ড-আপ বার্ড ক্রোনিকেল (১৯৯৪-৯৫), কাফকা অন দি শোর (২০০২) এবং ওয়ানকিউএইটিফোর (২০০৯-১০)। মুরাকামি রেমন্ড কার্ভার এবং জে ডি স্যালিংগারর মত লেখকদের লেখা জাপানি ভাষায় অনুবাদ করেছেন। তবে জাপানের সাহিত্যিকেরা মাঝেমধ্যে তার গল্পগুলো অজাপানি বলে সমালোচনা করে, যেগুলো পাশ্চাত্য লেখক রেয়মন্ড চান্ডলার, ভনেগাট দ্বারা প্রভাবিত বলে ভাবা হয়। তার লেখাগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরবাস্তববাদী, বিষাদগ্রস্থ অথবা অদৃষ্টবাদী, যা গভীরভাবে কাফকায়েস্ক। সমালোচকেরা অনেকেই হারুকির কথাসাহিত্যগুলো ফ্রান্‌ৎস কাফকার একাকীত্বে ভরা উন্মাদনা, শূন্যতা, বিষাদগ্রস্ততা, পরবাস্তবতা ও অর্থহীনতায় ভরা কথাশিল্প হিসেবে উল্লেখ করেন।

উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗

লেখক পরিচিতি

অনুবাদ সাহিত্য

বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আরও তিনটি গ্রন্থের সঙ্গে চর্যাগানগুলো নিয়ে সম্পাদিত গ্রন্থের নাম দেন "হাজার বছরের পুরনো বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা "। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ছিল কাব্যপ্রধান। ইসলাম ধর্ম, হিন্দু ধর্ম ও বাংলার লৌকিক ধর্মবিশ্বাসগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এই সময়কার বাংলা সাহিত্য। ইসলামি ধর্মসাহিত্য,পীরসাহিত্য,বাউল পদাবলি,পবিত্র কুরআনের বঙ্গানুবাদ,মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, শাক্তপদাবলি, বৈষ্ণব সন্তজীবনী, রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের বঙ্গানুবাদ, নাথসাহিত্য ইত্যাদি ছিল এই সাহিত্যের মূল বিষয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নবজাগরণের যুগে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। এই সময় থেকে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বদলে মানুষ, মানবতাবাদ ও মানব-মনস্তত্ত্ব বাংলা সাহিত্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর বাংলা সাহিত্যও দুটি ধারায় বিভক্ত হয়: ঢাকা-কেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাহিত্য ও কলকাতা-কেন্দ্রিক পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য। পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ভারতীয় সাহিত্যের একটি শাখা। বর্তমানে বাংলা সাহিত্য বিশ্বের একটি অন্যতম, সমৃদ্ধ সাহিত্যধারা হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →