হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) বইয়ের প্রচ্ছদ

হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩)

লেখক: অনুবাদ সাহিত্য

বইয়ের পরিচয়

উইকিপিডিয়া থেকে

হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান (ইংরেজিতে Harry Potter and the Prisoner of Azkaban) ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং রচিত হ্যারি পটার উপন্যাস সিরিজের তৃতীয় বই। বইটি ১৯৯৯ সালের ৮ জুলাই প্রকাশিত হয়। এটি ১৯৯৯ সালে হুইটব্রেড বুক অ্যাওয়ার্ড ও ব্র্যাম স্টোকার অ্যাওয়ার্ড এবং ২০০০ সালে লুকাস অ্যাওয়ার্ড লাভ করে। এছাড়াও হুগো অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন লাভ করে। বইটির কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ২০০৪ সালের ৩১ মে যুক্তরাজ্যে এবং ৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি লাভ করে। প্রিজনার অফ আজকাবান হ্যারি পটার সিরিজের একমাত্র বই যেটিতে লর্ড ভলডেমর্ট অনুপস্থিত।

উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗

লেখক পরিচিতি

অনুবাদ সাহিত্য

বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আরও তিনটি গ্রন্থের সঙ্গে চর্যাগানগুলো নিয়ে সম্পাদিত গ্রন্থের নাম দেন "হাজার বছরের পুরনো বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা "। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ছিল কাব্যপ্রধান। ইসলাম ধর্ম, হিন্দু ধর্ম ও বাংলার লৌকিক ধর্মবিশ্বাসগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এই সময়কার বাংলা সাহিত্য। ইসলামি ধর্মসাহিত্য,পীরসাহিত্য,বাউল পদাবলি,পবিত্র কুরআনের বঙ্গানুবাদ,মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, শাক্তপদাবলি, বৈষ্ণব সন্তজীবনী, রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের বঙ্গানুবাদ, নাথসাহিত্য ইত্যাদি ছিল এই সাহিত্যের মূল বিষয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নবজাগরণের যুগে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। এই সময় থেকে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বদলে মানুষ, মানবতাবাদ ও মানব-মনস্তত্ত্ব বাংলা সাহিত্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর বাংলা সাহিত্যও দুটি ধারায় বিভক্ত হয়: ঢাকা-কেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাহিত্য ও কলকাতা-কেন্দ্রিক পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য। পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ভারতীয় সাহিত্যের একটি শাখা। বর্তমানে বাংলা সাহিত্য বিশ্বের একটি অন্যতম, সমৃদ্ধ সাহিত্যধারা হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →