বইয়ের পরিচয়
উইকিপিডিয়া থেকে
খনার বচন মূলত কৃষিতত্ত্বভিত্তিক প্রাচীন বাংলা ছড়া। আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত। অনেকের মতে, খনা নাম্নী জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী বাঙালি নারীর রচনা এই ছড়াগুলো। তবে এ নিয়ে মতভেদ আছে। অজস্র খনার বচন যুগ-যুগান্তর ধরে গ্রাম বাংলার জন-জীবনের সাথে মিশে আছে। জনশ্রুতি আছে যে, খনার নিবাস ছিল অধুনা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বারাসত সদর মহকুমার দেউলিয়া গ্রামে (বর্তমানে চন্দ্রকেতুগড় প্রত্নস্থল, যেটি খোনামিহিরের ঢিবি নামে পরিচিত)। তিনি ছিলেন বৈদ্য বংশজাত । এমনকি, তিনি রাজা বিক্রমাদিত্যের সভার নবরত্নের দশম সদস্য ছিলেন বলে কথিত। বরাহমিহির বা বররুচি-এর পুত্র মিহির তার স্বামী ছিল বলেও কিংবদন্তি কথিত আছে। এই রচনাগুলো পাঁচ ভাগে বিভক্ত। কৃষিকাজের প্রথা ও কুসংস্কার কৃষিকাজ ফলিত জ্যোতির্বিজ্ঞান আবহাওয়া জ্ঞান এবং শস্যের যত্ন সম্পর্কিত উপদেশ == খনার বচনের কিছু উদাহরণ == তোমার পিত্ত্বি কেন জ্বলে, সতিন পোয়াতি হলে। (এক জনের সফলতা দেখে আরেকজন সহপাঠীর হিংসা।) ষোল চাষে মূলা,তার অর্ধেক তুলা;তার অর্ধেক ধান,বিনা চাষে পান।(১৬ বার চাষ করার পর সেই জমিতে মূলা চাষ করলে ভালো জাতের ফলন পাওয়া যায়। তুলা লাগানোর জমিতে ৮ বার চাষ করতে হবে, অনুরূপভাবে ধানের জমিতে ৪ বার চাষ করে ধান লাগালে ভালো ফলন পাওয়া যায়। পানের জমিতে চাষের প্রয়োজন হয় না।) আগে খাবে মায়ে, তবে পাবে পোয়ে। কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড়, তাতেই ভাত।(কলাগাছের ফলন শেষে গাছের গোড়া যেন না কাটে কৃষক, কেননা তাতেই সারা বছর ভাত-কাপড় জুটবে তাদের।
উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗