বইয়ের পরিচয়

“অসম্পূর্ণা" বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃসুচিত্রা ভট্টাচার্যর ‘এই মােহমায়া’ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছিল ‘সানন্দা’ পত্রিকায়। আর শারদীয় দেশ ১৪২২-এর জন্য লেখা শুরু করেছিলেন ‘কাটা বেঁধা পায়ে উপন্যাসটি। কিন্তু তার আকস্মিক প্রয়াণে দুটি উপন্যাসই অসম্পূর্ণ রয়ে গেল। সেই দুটি অসম্পূর্ণ উপন্যাসকে গ্রথিত করে এই গ্রন্থ ‘অসম্পূর্ণা’। তার প্রতিভার শেষ স্বাক্ষরটুকু মুদ্রিত হয়ে রইল এই গ্রন্থের পাতায় পাতায়।

লেখক পরিচিতি

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

1838 – 1894

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ – ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাঁকে প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসেবে, সাহিত্য সমালোচক হিসেবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তিনি জীবিকাসূত্রে ব্রিটিশ রাজের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাঁকে বাংলা উপন‍্যাসের জনক বলা হয়। এছাড়াও তিনি বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট হিসেবে পরিচিত। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কবিতা বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →