বইয়ের পরিচয়

“অহল্যা” বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়াদেহ আছে বলেই তুই আর আমি দৃশ্যমান রে ব্যাটা! আমি তােকে দেখছি, তুই আমাকে দেখছিস। প্রকৃতপক্ষে তাের দেহ তুই নয় এবং আমার দেহটিও আমি নই! এই দেহ, ভেতরের আমির একটা আচ্ছাদন মাত্র। মানুষ যেমন পােষাক বদলায় তেমনি ভেতরের আমিটাও তার প্রত্যেক মৃত্যুতে একবার করে পােষাক বদলায়। সৃষ্টির বন্ধন হতে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ভেতরের আমিটা’কে বারবার আচ্ছাদন পরিবর্তন করতে হয়, যে দেহের ভেতরে থেকে দেহটাকে সক্রিয় রাখে। দেহটাকে কেটে টুকরাে টুকরাে করে অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তাকে পাওয়া যাবে না। অথচ তিনি আছেন, তিনি আছেন বলেই দেহ-মন সক্রিয়। তাকে দেখা যায় না, ধরা যায় না, ছোঁয়াও যায় না। তিনি ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নহেন, তিনি ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যাতীত। দেহকে আশ্রয় করেই তিনি আছেন, তিনি নেই তাে দেহের ধ্বংস অনিবার্য।

লেখক পরিচিতি

নীহাররঞ্জন গুপ্ত

1911 – 1986

ডাঃ নীহাররঞ্জন গুপ্ত (৬ জুন ১৯১১ - ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় রহস্য কাহিনীকার এবং চিকিৎসক। তিনি বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র কিরীটী রায়ের স্রষ্টা হিসেবে উপমহাদেশে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →