বইয়ের পরিচয়

"ইন্দিরা" বইটি সম্পর্কে কিছু কথাঃসূচিপত্রঃপ্রথম পরিচ্ছেদ : আমি শ্বশুরবাড়ী যাইবদ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : শ্বশুরবাড়ী চলিলামতৃতীয় পরিচ্ছেদ : শ্বশুরবাড়ী যাওয়ার সুখচতুর্থ পরিচ্ছেদ : এখন যাই কোথায়?পঞ্চম পরিচ্ছেদ : বাজিয়ে যাব মলষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : সুবোসপ্তম পরিচ্ছেদ : কালির বোতলঅষ্টম পরিচ্ছেদ : বিবি পাণ্ডবনবম পরিচ্ছদ : পাকাচুলের সুখ দুঃখদশম পরিচ্ছদ : আশার প্রদীপএকাদশ পরিচ্ছেদ : একটা চোরা চাহনিদ্বাদশ পরিচ্ছেদ : হারাণীর হাসিবন্ধত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ : আমাকে একজামিন দিতে হইলচতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ : আমার প্রাণত্যাগের প্রতিজ্ঞাপঞ্চদশ পরিচ্ছেদ : কুলের বাহিরষোড়শ পরিচ্ছেদ : খুন করিয়া ফাঁসি গেলামসপ্তদশ পরিচ্ছেদ : ফাঁসির পর মোকদ্দমার তদারকঅষ্টাদশ পরিচ্ছেদ : ভারি জুয়াচুরির বন্দোবস্তঊনবিংশ পরিচ্ছেদ : বিদ্যাধরীবিংশ পরিচ্ছেদ : বিদ্যাধরীর অন্তর্দ্ধানএকবিংশতিতম পরিচ্ছেদ : সেকালে যেমন ছিলদ্বাবিংশতিতম পরিচ্ছেদ : উপসংহার

লেখক পরিচিতি

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

1838 – 1894

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ – ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাঁকে প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসেবে, সাহিত্য সমালোচক হিসেবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তিনি জীবিকাসূত্রে ব্রিটিশ রাজের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাঁকে বাংলা উপন‍্যাসের জনক বলা হয়। এছাড়াও তিনি বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট হিসেবে পরিচিত। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কবিতা বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →