এরাউণ্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ বইয়ের প্রচ্ছদ

এরাউণ্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ

লেখক: অনুবাদ সাহিত্য

পৃষ্ঠা: 88

বইয়ের পরিচয়

রকমারি থেকে

রাউন্ড দি ওয়ার্ল্ড ইন এইট্টি ডেজ ১৮৭২। সালটা মনে রাখতে হবে। তা না হলে ফিলিয়াস ফগ-এর এই চমকপ্রদ কাহিনী কাউকেই বড় একটা চমক দিতে পারবে না। কাউকে অর্থাৎ এ-যুগের কাউকে। মনে রাখতে হবে যে ১৮৭২ সালে জেট প্লেন তো আবিষ্কৃতই হয়নি, সামুদ্রিক যানগুলিও খুব উন্নতশ্রেণীর ছিল না এবং মহাদেশগুলির এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত রেলপথও কোথাও তৈরি হয়নি, একমাত্র আমেরিকায় ছাড়া। ভারতবর্ষে একটা রেলের লাইন খুলেছে—শুনতে পাওয়া যায় বটে, কিন্তু সে লাইনে কোথা থেকে কোথায় যাওয়া যায়— সে সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা কারোই নেই। ফিলিয়াস ফগ লন্ডনে থাকে—বার্লিংটন গার্ডেন অঞ্চলে সাত নম্বর স্যাভাইল রো’তে। এই বাড়িতেই ষাট বছর আগে বাস করতেন বিখ্যাত নাট্যকার, বিখ্যাত বাগ্মী, প্রথম শ্রেণীর পার্লামেন্ট-সভ্য শেরিডান। কাজেই বাড়িটা অভিজাত শ্রেণীর বাসোপযোগী, তাতে সন্দেহ নেই। এই বাড়িতে একা থাকে ফিলিয়াস একটি মাত্র চাকর নিয়ে। বিবাহ কোন দিন করেছে বলে কেউ শোনেনি। বয়স চল্লিশের ওপরে, সুস্থ সবল দীর্ঘদেহ, শৌখিন সুবেশ, কাঁটায় কাঁটায় নিয়মনিষ্ঠ। সে-নিষ্ঠা এতই প্রবল যে তারই খাতিরে সম্প্রতি একমাত্র ভৃত্য জেমস ফস্টারকে বরখাস্ত করতে বাধ্য হয়েছে ফিলিয়াস। অপরাধ? হ্যাঁ, অপরাধ তার ছিল বই কি! প্রত্যহ ছিয়াশি ডিগ্রি গরম জলে দাড়ি কামানো "অভ্যাস ফিলিয়াসের, সেদিন হতভাগা ফস্টার কি না চুরাশি ডিগ্রির জল নিয়ে এল? বেলা এগারোটা থেকে বসে আছে ফিলিয়াস। নতুন একজন চাকর আসবে কথা আছে। ফস্টারের নোটিস পেরিয়ে যাচ্ছে আজ বেলা বারোটায়। তার আগে অন্য লোক না এলে মুশকিল। এগারো থেকে সাড়ে এগারোটার মধ্যে নতুন লোকটির আসবার কথা আছে। দেরি করলে দেখা হবে না, দেখা হয়েও লাভ নেই, কারণ কথামত হাজির হতে যে অক্ষম, তাকে ফিলিয়াস ফগ চাকরিতে বহাল করবে না কখনও।

লেখক পরিচিতি

অনুবাদ সাহিত্য

বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আরও তিনটি গ্রন্থের সঙ্গে চর্যাগানগুলো নিয়ে সম্পাদিত গ্রন্থের নাম দেন "হাজার বছরের পুরনো বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা "। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ছিল কাব্যপ্রধান। ইসলাম ধর্ম, হিন্দু ধর্ম ও বাংলার লৌকিক ধর্মবিশ্বাসগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এই সময়কার বাংলা সাহিত্য। ইসলামি ধর্মসাহিত্য,পীরসাহিত্য,বাউল পদাবলি,পবিত্র কুরআনের বঙ্গানুবাদ,মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, শাক্তপদাবলি, বৈষ্ণব সন্তজীবনী, রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের বঙ্গানুবাদ, নাথসাহিত্য ইত্যাদি ছিল এই সাহিত্যের মূল বিষয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নবজাগরণের যুগে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। এই সময় থেকে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বদলে মানুষ, মানবতাবাদ ও মানব-মনস্তত্ত্ব বাংলা সাহিত্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর বাংলা সাহিত্যও দুটি ধারায় বিভক্ত হয়: ঢাকা-কেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাহিত্য ও কলকাতা-কেন্দ্রিক পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য। পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ভারতীয় সাহিত্যের একটি শাখা। বর্তমানে বাংলা সাহিত্য বিশ্বের একটি অন্যতম, সমৃদ্ধ সাহিত্যধারা হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →