বইয়ের পরিচয়

সূচিপত্র* বাঘ ও বক* শিকারী কুকুর* দাঁড়কাক ও ময়ূরের পালক* সাপ ও কৃষক* ঘোড়া ও মহিষ* বাঘ ও বেড়ার বাচ্চা* কুকুর ও ছায়া* সিংহ ও ইঁদুর* মাছি ও মধুর কলসি* কুকুর, মোরগ ও শিয়াল* কচ্ছপ ও ঈগলপাখি* বাঘ ও পালিত কুকুর* শিয়াল ও কৃষক* রাখাল ও বাঘ* কাক ও জলের কলসী* খরগোশ ও কচ্ছপ* পেট ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ* একচক্ষু হরিণ* দুই পথিক ও ভালুক* সিংহ, গাধা ও শিয়ালের শিকার* বৃদ্ধা ও চিকিৎসক* নেকড়ে বাঘ ও ভেড়ার পাল* গৃহস্থ ও তার ছেলেরা* লেজহীন শিয়াল* ঘোড়া ও মানুষ* খরগোশ ও ব্যাঙ* কৃষক ও কৃষকের ছেলেরা* কৃষক ও সারস* পথিকগণ ও বটবৃক্ষ* খরগোশ ও শিকারী কুকুর* কুড়াল ও জলদেবতা* নেকড়ে বাঘ ও ভেড়া* কুকুরের কামড় খাওয়া মানুষ* শিকারের ভাগ* কৃপণ* ষাঁড় ও মশা* কুকুর ও ঘোড়াগণ* মাটির পাত্র ও কাঁসার পাত্র* চোর ও কুকুর* রোগী ও চিকিৎসক* সারসী ও তাহার সন্তানগণ* লবণবাড়ী বলদ* পথিক ও কুড়াল* ঘোড়া ও গাধা* হরিণ* সিংহ,ভালুক ও শিয়াল* টাকা ও পরচুলা* সিংহ ও তিন ষাঁড়* সিংহ, শিয়াল ও গাধা* জ্যোতির্বিজ্ঞানী* সিংহের চামড়াপরা গাধা* বাঘ ও ছাগল

লেখক পরিচিতি

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

1820 – 1891

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১; ১২ আশ্বিন ১২২৭ – ১৩ শ্রাবণ ১২৯৭ বঙ্গাব্দ) ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে ১৮৩৯ সালে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল তার। তিনিই প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ ও সহজপাঠ্য করে তোলেন। বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই। তাকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী বলে অভিহিত করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি রচনা করেছেন যুগান্তকারী শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয়-সহ একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ। সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ সাহিত্য ও জ্ঞানবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু রচনা। নারীমুক্তির আন্দোলনেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে বিদ্যাসাগর মহাশয় ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারকও। বিধবা বিবাহ ও স্ত্রী শিক্ষার প্রচলন, বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক অভিশাপ দূরীকরণে তার অক্লান্ত সংগ্রাম আজও স্মরিত হয় যথোচিত শ্রদ্ধার সঙ্গে। বাংলার নবজাগরণের এই পুরোধা ব্যক্তিত্ব দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘দয়ার সাগর’ নামে। দরিদ্র, আর্ত ও পীড়িত কখনোই তার দ্বার থেকে শূন্য হাতে ফিরে যেত না। এমনকি নিজের চরম অর্থসঙ্কটের সময়ও তিনি ঋণ দিয়ে পরোপকার করেছেন‌। তার পিতামাতার প্রতি তার ঐকান্তিক ভক্তি ও বজ্রকঠিন চরিত্রবল বাংলায় প্রবাদপ্রতিম। মাইকেল মধুসূদন দত্ত তার মধ্যে দেখতে পেয়েছিলেন প্রাচীন ঋষির প্রজ্ঞা, ইংরেজের কর্মোদ্যম ও বাঙালি মায়ের হৃদয়বৃত্তি।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →