বইয়ের পরিচয়

বিদ্রুপের ছদ্মবেশে সত্য কথা লেখার চিরায়ত ধারার ফসল কমলাকান্ত। সাধারন মানুষ যে কথা মুখে বলতে পারে না, সেই কথা অনায়াসে সবার সামনে প্রকাশ করতেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সৃষ্টি করেছেন আফিমখোর কমলাকান্তকে।কমলাকান্তের দপ্তর, কমলাকান্তের পত্র ও কমলাকান্তের জবানবন্দী- এই তিনটি অংশ নিয়ে মূল বই 'কমলাকান্ত'। কমলাকান্তের দপ্তরে আছে ১৪ টি প্রবন্ধ। কমলাকান্তের পত্রে আছে ৫ টি পত্র। আর, কমলাকান্তের জবানবন্দী আদালতে স্বাক্ষী হিসেবে কমলাকান্তের জবানবন্দী।

লেখক পরিচিতি

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

1838 – 1894

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ – ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাঁকে প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসেবে, সাহিত্য সমালোচক হিসেবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তিনি জীবিকাসূত্রে ব্রিটিশ রাজের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাঁকে বাংলা উপন‍্যাসের জনক বলা হয়। এছাড়াও তিনি বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট হিসেবে পরিচিত। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কবিতা বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →