বইয়ের পরিচয়

জীবন মাহমুদ-এর উক্তিলক্ষ্য যতই দূরে হোক না কেন, হাল ছেড়ো না।অর্থ উপার্জন করা খুবই সহজ বিষয়, সেটা দর্জি পট্টি কামলা দিলেও উপার্জন করা যায়।নিজের অস্তিত্ব কোথায় সেটা দেখা উচিৎ।কারও পরিচালোনায় কখনো সফল হওয়া যায় না, সফল হতে হলে নিজের যোগ্যতা থাকতে হয়।যোগ্যতা থাকলে কারও সাহায্যের দরকার হয় না, শূন্য থেকেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব।ভুল যতই ছোট হোক, সেটা করা যাবে না।অনেক সময় পচা শামুকে পা কাটে, আর সেটা সারতেও চায় না।কারও কথার উপর নির্ভর করিও না! নিজের চোখে না দেখা পর্যন্ত কোনো কিছু বিশ্বাস করিও না। কারণ এই ভদ্র সমাজে কথাকে, কবিতায় রূপান্তরিত করার জন্য হাজারো কবি আছে।সবকিছু জেনে বুঝেও চুপ থাকুন! মুচকি হাসুন তর্কে জড়াবেন না। নিজে নিজের বিচার করুন। মনে রাখবেন চালাক হলেই ভালো ব্যক্তিত্ব পাওয়া যায় না। কারণ বনের রাজা সিংহ, শেয়াল পণ্ডিত না।আজকের দিনে ভদ্র মানে তুমি ভীতু! নিরীহ মানে তুমি দুর্বল, সৎ মানে তুমি মুর্খ, আর স্পষ্ট বক্তা মানে তুমি শত্রু।শহরটা ভালো না ভাই, এই শহরে কেউ কারও জন্য না, কারও উপর নির্ভরশীল থাকবেন না।কারও থেকে কখনও কিছু আশা করবেন না, কারণ এই শহরে আপনি নিজে না করলে আপনার জন্মদাতাও কিছু করে দিবে না।নিজের কাছে যা কিছু আছে সেটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। অন্যের দেওয়া সাহায্য নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়তে যাবেন না। নিজের ঘরের ডালভাত খাওয়া অনেক ভালো। অন্যের দেওয়া বিরানি খেলে গলায় হাড্ডি আটকে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হতে পারে।

লেখক পরিচিতি

উইলিয়াম শেকসপিয়র

1564 – 1616

উইলিয়াম শেকসপিয়র (; ইংরেজি: William Shakespeare ৱিলীঅ্যম্‌ শেইক্‌স্পীঅ্যর্‌; ব্যাপ্টিজম:২২ অথবা ২৩ এপ্রিল, ১৫৬৪; মৃত্যু: ২৩ এপ্রিল, ১৬১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ কবি ও নাট্যকার। তাকে ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক এবং বিশ্বের একজন অগ্রণী নাট্যকার মনে করা হয়। তাকে ইংল্যান্ডের "জাতীয় কবি" এবং "বার্ড অব অ্যাভন" (অ্যাভনের চারণকবি) নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে। তার যে রচনাগুলি পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ৩৯টি নাটক, ১৫৪টি সনেট, তিনটি দীর্ঘ আখ্যানকবিতা এবং আরও কয়েকটি কবিতা। কয়েকটি লেখা শেকসপিয়র অন্যান্য লেখকদের সঙ্গে যৌথভাবেও লিখেছিলেন। তার নাটক প্রতিটি প্রধান জীবিত ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং অপর যে কোনো নাট্যকারের রচনার তুলনায় অধিকবার মঞ্চস্থ হয়েছে। শেকসপিয়রের জন্ম ও বেড়ে ওঠা স্ট্যাটফোর্ড অন-অ্যাভনে। মাত্র আঠারো বছর বয়সে তিনি অ্যানি হ্যাথাওয়েকে বিবাহ করেন। অ্যানির গর্ভে শেকসপিয়রের তিনটি সন্তান হয়েছিল। এঁরা হলেন সুসান এবং হ্যামনেট ও জুডিথ নামে দুই যমজ। ১৫৮৫ থেকে ১৫৯২ সালের মধ্যবর্তী সময়ে তিনি অভিনেতা ও নাট্যকার হিসেবে লন্ডনে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। লর্ড চেম্বারলেইন’স ম্যান নামে একটি নাট্যকোম্পানির তিনি ছিলেন সহ-সত্ত্বাধিকারী। এই কোম্পানিটিই পরবর্তীকালে কিং’স মেন নামে পরিচিত হয়। ১৬১৩ সালে তিনি নাট্যজগৎ থেকে সরে আসেন এবং স্ট্র্যাটফোর্ডে ফিরে যান। তিন বছর বাদে সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছিল। শেকসপিয়রের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে নথিভুক্ত তথ্য বিশেষ পাওয়া যায় না। তার চেহারা, যৌনপ্রবৃত্তি, ধর্মবিশ্বাস, এমনকি তার নামে প্রচলিত নাটকগুলি তারই লেখা নাকি অন্যের রচনা তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →