বইয়ের পরিচয়

গয়নার বাক্স এর কিছু কথা:পড়তি বনেদি পরিবারে বিয়ে হয়েছিল সোমলতার । খোলাটাই আছে, সার নেই। একটু বড়-বড় কথা বলা এবং সুযোগ পেলেই দেশের বাড়ির জমিদারির গল্প বলা এদের একটা প্রিয় অভ্যোস । যাকে বলে, বারফট্টই।সোমলতার স্বামীটি বি. এ. পাশ । তবু তবলা বাজানো ছাড়া কিছু করেন না । সোমলতাদের যৌথ পরিবারের । এ-বাড়িতেই তিনতলায় তিনটে ঘর নিয়ে থাকেন এক দজাল পিসশাশুড়ি । বালবিধবা এই শাশুড়িই সংসারের সর্বময় কত্রী ।এই পিসশাশুড়ই মৃত্যুকালে সোমলতাকে ডেকে তার একশো ভরি সোনার গয়নার বাক্স সোমলতার হাতে গচ্ছিত করে গেলেন। মৃত্যুর আগে,না মৃত্যুর পরে?সোমলতা ভাল করে বুঝতে পারেনি। কিন্তু পিসশাশুড়ি যে এরপরেও বারবার দেখা দিয়েছেন এতে সন্দেহ নেই। তা বলে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এই দুদন্তি উপন্যাস কোনওক্রমেই ভুতুড়ে কাহিনী নয় । প্ৰায় রূপকের ব্যঞ্জনা নিয়েই যে এসেছে এই গয়নার বাক্সের ঘটনাটা, তা ধরা পড়ে দারুণ কৌতুহলকর ও গভীর তাৎপর্যময় এই উপন্যাসের একেবারে শেষ পঙক্তিতে পৌছে গিয়ে ।

লেখক পরিচিতি

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

1935 – বর্তমান

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় (জন্ম: ২ নভেম্বর ১৯৩৫) একজন বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক, যিনি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গল্প ও উপ্যনাস লিখে থাকেন। ১৯৮৮ সালে তার মানবজমিন উপ্যনাসের জন্য সাহিত্য একডেমি পুরস্কার পেয়েছেন। ছোটদের জন্য লেখা উপ্যনাসের মধ্যে মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি, গোসাঁই-বাগানের ভূত জনপ্রিয়।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →