ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল বইয়ের প্রচ্ছদ

ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল

লেখক: হুমায়ুন আজাদ

পৃষ্ঠা: 104

ISBN: 9789849595267

বইয়ের পরিচয়

ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের বিভাস রচিত হয়েছে ৫৬টি কবিতা দিয়ে। কবিতাগুলোতে বিধৃত হয়েছে বাংলাদেশের প্রকৃতি, ঋতুচক্র, এই জনপদের মানুষের জীবন-যুদ্ধ, ভাষা ও স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম, স্বাধীনতা-উত্তর সময়কালের আর্থ-সামজিক অবস্থা, স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গ। কবি কাজী জহিরুল ইসলামের এ-যাবৎ প্রকাশিত গ্রন্থগুলো থেকে ৫৬টি বাংলাদেশ বিষয়ক কবিতা বেছে নেবার ঘটনাটি কাকতালীয় বা দৈব নয়, এটি প্রায় পরিকল্পিতই। ২০২৩ এর ফেব্রুয়ারিতে যখন পালিত হচ্ছে কবির ৫৬ তম জন্মদিন তখন তারই রচিত ৫৬টি দেশপ্রেমের কবিতা-সংকলনের চেয়ে বড়ো উপহার আর কী হতে পারে? এনআরবি-স্কলারস পাবলিশার্স প্রতিনিধিত্ব করে দেশের বাইরে বসবাসরত বাঙালি লেখকদের। তাদের পক্ষ থেকে কবির জন্য এই উপহার। সততা, মানবতা, দেশপ্রেম এবং নান্দনিকতা এই চার স্তম্ভের ওপর নির্মিত কাজী জহিরুল ইসলামের কবিতার উজ্জ্বল প্রাসাদ। “ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল” সেই প্রাসাদেরই একটি সার্থক রেপ্লিকা।

লেখক পরিচিতি

হুমায়ুন আজাদ

1947 – 2004

হুমায়ুন আজাদ (২৮ এপ্রিল ১৯৪৭ - ১২ আগস্ট ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ; ১৪ বৈশাখ ১৩৫৪ - ২৬ শ্রাবণ ১৪১১ বঙ্গাব্দ) বাংলাদেশের একজন লেখক ছিলেন যিনি বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন খাতে অবদান রেখেছিলেন, তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক, রাজনীতিক ভাষ্যকার, কিশোরসাহিত্যিক এবং গবেষক, পেশাগত জীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রথাবিরোধী এবং বহুমাত্রিক লেখক যিনি ধর্মীয় মৌলবাদের বিরোধিতা, রক্ষণশীলতার বিরোধিতা, যৌনতা, নারীবাদ ও রাজনীতি বিষয়ে তার বক্তব্যের জন্য ১৯৮০-এর দশক থেকে পাঠকগোষ্ঠীর দৃষ্টি আর্কষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। হুমায়ুন আজাদের ৭টি কাব্যগ্রন্থ, ১২টি উপন্যাস ও ২২টি প্রবন্ধ এবং সমালোচনা গ্রন্থ, ৭টি ভাষাবিজ্ঞানবিষয়ক, ৮টি কিশোরসাহিত্য ও অন্যান্য প্রবন্ধসংকলন মিলিয়ে ৬০টিরও অধিক গ্রন্থ তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যু পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়। ১৯৯২ সালে তার নারীবাদী গবেষণা-সংকলনমূলক গ্রন্থ নারী প্রকাশের পর বিতর্কের সৃষ্টি করে এবং ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সাড়ে চার বছর ধরে বইটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ছিল। এটি তার বহুল আলোচিত গবেষণামূলক কাজ হিসেবেও স্বীকৃত। এছাড়াও তার পাক সার জমিন সাদ বাদ উপন্যাসটি পাঠকমহলে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল। তার রচিত প্রবচন সংকলন ১৯৯২ সালে হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ নামে প্রকাশিত হয়। তাকে ১৯৮৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০১২ সালে সামগ্রিক সাহিত্যকর্ম এবং ভাষাবিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের জন্য মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করা হয়। ২০০৩ সালে তার রচিত কিশোরসাহিত্য ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না (১৯৮৫) এবং আব্বুকে মনে পড়ে (১৯৯২) জাপানি ভাষায় অনূদিত হয়েছিলো।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →