বইয়ের পরিচয়

বইটিতে আছে একটা তীক্ষ্ণ আর অতিপ্রাসঙ্গিক বার্তা। এটা মিনতি করে আমাদের থামাতে বলছে জগৎমাতার দুর্দশা, একান্ত অনুরোধ করছে যেন আমরা আবার আসি প্রাকৃতিক জগতের সংস্পর্শে, তাকে জানি, বুঝি, তারপর সম্পর্কটাকে কাজে লাগাই পারস্পরিক সুবিধার্থে। জিম করবেটের কাছে জঙ্গল এতটাই স্বাভাবিক, ঠিক যেমন শিরায়-শিরায় চলাচল করে রক্ত। সাহিত্যিক কোয়ালিটির বাইরে এই মাপের অনুভব না-থাকলে ‘জাঙ্গল লোর’ লেখা যায় না। জঙ্গলের উপর লেখা বিশ্বখ্যাত সবচেয়ে ভালো বই ‘জাঙ্গল লোর’

লেখক পরিচিতি

জিম করবেট

1875 – 1955

জিম করবেট। পুরো নাম এডওয়ার্ড জেমস করবেট (জুলাই ২৫, ১৮৭৫ - এপ্রিল ১৯, ১৯৫৫)। জিম করবেট ছিলেন একজন ইংরেজ শিকারী। তবে জন্ম ভারতের কুমায়ুন অঞ্চলের নৈনিতাল শহরে। স্থানটি বর্তমানে উত্তরাখণ্ড রাজ্যে। তিনি নামকরা শিকারী ছাড়াও একজন বিখ্যাত পরিবেশবাদীও ছিলেন। তার নামানুসারে ভারতের জিম করবেট ন্যাশনাল পার্কের নামকরণ করা হয়। শিকার ও জঙ্গলের বিবরণ নিয়ে তিনি অনেক বই লিখেছেন। হিংস্র প্রাণী, মানুষ খেকো বাঘ এবং চিতা মেরে তিনি অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত থেকে তিনি চলে যান কেনিয়াতে। সেখানে শুরু করেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য এক মহান আন্দোলন। শেষ জীবন তার কেনিয়াতে কাটে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →