বইয়ের পরিচয়
বুনো ফুলের ঝোপ দুলছে বাতাসে। ফোনের তথ্য অনুযায়ী সেখানেই উড়োজাহাটি ভেঙে পড়েছে। কিন্তু সেদিকে কোনো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে না। আশেপাশের ঘাসবনও পুড়ে যায় নি। কেমন শুনশান পরিবেশ। স্থানটিকে দুর্ঘটনাকবলিত বলে মোটেই মনে হচ্ছে না। খামার বাড়িটির কাছে এসে থামল রাফরতির গাড়ি। কোথাও লোকের ভিড় নেই। অ্যাম্বুলেন্স নেই। কোনোরকম সাড়াশব্দ নেই। পুরানো একটি বাড়ি। ভাঙা বেড়া। মুরগির ঘরে কক কক করে ডাকছে মুরগিগুলো। বাড়িটি বুড়ো চাষি আলসোপের। রাফারতি কাঠের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলেন। কয়েকটা কাঠবেড়ালি ছুটে গেল। না, দুর্ঘটনার কোনো চিহ্নই তো সেখানে দেখা যাচ্ছে না। তবে কি টেলিফোনে কেউ মিথ্যে খবর দিল? রসিকতা করল? সবুজ প্রান্তরে তো আর কোনো খামার বাড়ি নেই।