বইয়ের পরিচয়

"তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১৩" বইটির শেষের ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃহ্যালাে, কিশাের বন্ধুরা।আমি কিশাের পাশা বলছি, আমেরিকার রকি বীচ থেকে।জায়গাটা লস অ্যাঞ্জেলিসে, প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে, হলিউড থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে।যারা এখনও আমাদের পরিচয় জান না, তাদের বলছি, আমরা তিন বন্ধু একটা গােয়েন্দা সংস্থা খুলেছি, নাম 'তিন গােয়েন্দা'।আমি বাঙালী। থাকি চাচা-চাচীর কাছে। দুই বন্ধুর একজনের নাম মুসা আমান, ব্যায়ামবীর, আমেরিকান নিগ্রো; অন্যজন আইরিশ আমেরিকান, রবিন মিলফোর্ড, বইয়ের পােকা। একই ক্লাসে পড়ি আমরা। পাশা স্যালভিজ ইয়ার্ডে লােহা-লক্কড়ের জঞ্জালের নিচে পুরানাে এক মােবাইল হােম-এ আমাদের হেডকোয়ার্টার। তিনটি রহস্যের সমাধান করতে চলেছি - এসাে না, চলে এসাে আমাদের দলে।

লেখক পরিচিতি

রকিব হাসান

1950 – 2025

আবুল কাশেম মোহাম্মদ আবদুর রকিব (১২ ডিসেম্বর ১৯৫০ – ১৫ অক্টোবর ২০২৫), যিনি রকিব হাসান হিসেবেই পরিচিত ছিলেন একজন বাংলাদেশী গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা, যে সিরিজটি শুরুতে লেখক রবার্ট আর্থার এর থ্রি ইনভেস্টিগেটরস অবলম্বনে রচিত হয়েছে। তার লেখা এই কিশোর সিরিজটি প্রথম আলো পত্রিকার জরিপে বাংলাদেশের কিশোরদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাঠযোগ্য সিরিজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামে সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখেছিলেন। এছাড়াও আবু সাঈদ ছদ্মনামটিও ব্যবহার করেছেন গোয়েন্দা রাজু সিরিজটি লেখার সময়। এছাড়া জুল ভার্নের বইগুলো অনুবাদ করেন শামসুদ্দীন নওয়াব ছদ্মনামে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →