বইয়ের পরিচয়

ত্রিনা এক স্বপ্নচারী ইরা, সে প্রকৃতির মাঝে মুক্তভাবে বিচরণ করতে ভালোবাসে। তার পাহাড়, ঝরণা, সমুদ্র ভালো লাগে, তাই তুরিণ পাহাড়ে বসে দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপরও তার মন উদাস হয়ে ওঠে, ইরণের শৃঙ্খলিত জীবন তার ভালো লাগে না। রোবট নিয়ন্ত্রিত সেন্ট্রাল কম্পিউটার এবং বায়োনেট প্রতিটা ইব, ইরা’র জীবন ন্যানো চিপসে বন্দী করে রেখেছে। তারা চায় ইরণবাসী তাদের মতো, স্বপ্নহীন, কল্পনাহীন, নিরাসক্ত জীবন যাপন করুক।এক সময় ত্রিনা জেনে যায়, সে কোনো ইব বা ইরা নয়, সে একজন মানুষ। রোবটরা তাদের পূর্ব পরিচয় মুছে তাদেরকে এক রোবটিক জীবন দিয়েছে। তাই সে এ রোবটিক জীবন থেকে বেরিয় আসতে চেষ্টা করে। ঘটনা পরিক্রমায় তার সাথে পরিচয় ঘটে নাবিলের, সেও আর এক মুক্ত—স্বাধীন জগতের মানুষ, সারাক্ষণ সমুদ্র নিয়েই থাকে, ঘর তাকে আটকে রাখতে পারে না।শেষ পর্যন্ত এ দু’জন ইব, ইরার রবোটিক জীবন থেকে বের হয়ে আসার প্রচেষ্টা কী সফল হয়েছিল? তারা কি পেরেছিল, ইরণবাসীর প্রকৃত পরিচয় ফিরিয়ে দিতে!এসব জটিল ঘটনার সমীকরণ মেলাতে, একটা অভিনব জীবন প্রবাহ নিয়ে রচিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ‘ত্রিনা’।

লেখক পরিচিতি

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

1952 – বর্তমান

মুহম্মদ জাফর ইকবাল (জন্ম: ২৩ ডিসেম্বর ১৯৫২) হলেন একজন বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক ও বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক, কলাম লেখক, পদার্থবিদ, শিক্ষাবিদ ও আন্দোলনকর্মী। তিনি ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ক্যলিফোর্নিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি ও বেল কমিউনিকেশনস রিসার্চে ১৮ বছর কাজ করার পর তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন ও ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একই বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। ২০১৮ সালে ৩ অক্টোবর তিনি অবসরে যান। তিনি বিভিন্ন গল্প, উপন্যাস, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লিখেছন। তার লেখা কিছু উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে। তাকে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →