বইয়ের পরিচয়

ভূমিকাদীর্ঘ প্রায় ঊনপঞ্চাশ বছর পর ‘তপোবন আশ্রম’ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে “দয়ালের উপদেশ” মহামূল্যবান গ্রন্থখানি পুনঃপ্রকাশ করা হয়। এটি তৃতীয় সংস্করণ । ইতঃপূর্বে প্রকাশিত দ্বিতীয় সংস্করণে মুদ্রিত উপদেশ বানীসমূহে সম্বোধনসূচক শব্দ গুলোয় পরিবর্তন আনা হয়েছিলো। তৃতীয় সংস্করণে সেই পরিবর্তন বজায় না রেখে প্রথম সংস্করণের অনুসরণ করা হলো। শুরু ও শিষ্যের গভীর ভাব আলাপনে ও উপদেশকালে শুরু কর্তৃক শিষ্যের প্রতি যে মধুর ও আন্তরিক সম্বোধন উচ্চারিত হয়, তা হচ্ছে -‘দেখ’, ‘ওরে’ ইত্যাদি। প্রথম সংস্করণে যা ছিল, তৃতীয় সংস্করণে তা বজায় রাখা হলো।তপোবন আশ্রম কর্তৃক আপন কর্তব্য পালানার্থে ‘দয়ালের উপদেশ’ অমর গ্রন্থখানি প্রকাশ, সংরক্ষণ ও প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জগতের ক্লান্ত, শ্রান্ত ও আহত দিশেহারা মানুষের শান্তি ও প্রকৃত পথের সন্ধান ‘দয়ালের উপদেশ’ এ আছে। অমর উপদেশ বাণীসমূহ থেকে মানুষ শান্তি ও জীবন্মুক্তির পথে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা পাবে, এ কামনায়--বিনীততপোবন আশ্রম কর্তৃপক্ষইষ্টগ্রাম, দেবিদ্বার,কুমিল্লা

লেখক পরিচিতি

সৈয়দ শামসুল হক

1935 – 2016

সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। তার লেখকজীবন প্রায় ৬২ বছর ব্যাপী বিস্তৃত। সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ৩১ বছর বয়সে ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →