দ্য ভ্যালি অফ ফিয়ার (উপন্যাস) বইয়ের প্রচ্ছদ

দ্য ভ্যালি অফ ফিয়ার (উপন্যাস)

লেখক: অনুবাদ সাহিত্য

পৃষ্ঠা: 129

ISBN: 9789847602578

বইয়ের পরিচয়

রকমারি থেকে

'আমি ভাবতে বাধ্য হচ্ছি যে', বললাম আমি। অধীর কণ্ঠে বললো শার্লক হোমস, 'আমিও তাই ভাবতাম।' 'মরদেহদের মধ্যে আমিই সবচেয়ে বেশিদিন যন্ত্রণা সয়ে আছি, এ বিশ্বাস আমার আছে। তাও সেদিনকার শ্লেষবঙ্কিম বাধা প্রদানে মেজাজ খিঁচড়ে গেল।' কড়া গলায় বললাম, 'হোমস, মাঝে মাঝে সত্যিই তোমাকে বরদাস্ত করা যায় না।' হোমস তখন নিজের চিন্তাতেই এমন বুঁদ হয়ে রয়েছে যে আমার প্রতিবাদের তখুনি কোনো জবাব দিলো না। প্রাতরাশ তখনও মুখে তোলেনি। খাম থকে সদ্য বের করা কাগজের টুকরোটির দিকে অনিমেষে চেয়ে আছে হাতের ওপর ভর দিয়ে। তারপর খামটা তুলে নিলো, আলোর সামনে ধরে খুব হিসেবি চোখে বাইরের দিকটা এবং পেটির মতো ঝুলে থাকা আঠা লাগানোর জায়গাটা দেখলো। বললো চিন্তামগ্ন কণ্ঠে, 'এ যে দেখছি পোর্লকের হাতের লেখা। বার-দুয়েক এ হাতের লেখা আগে দেখেছি। তবুও এটা পোর্লকেরই হাতের লেখা, গ্রিক 'e'র বাহারি চুড়োটাই ধরিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু এ চিঠি যদি পোর্লকের হয়, তবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটেছে নিশ্চয়।' কথাগুলো হোমস যেন আমাকে বলছে না, নিজের মনেই বলে যাচ্ছে। আমার বিরক্তি উবে গিয়ে কৌতূহল হলো। কী বলতে চায় হোমস?

লেখক পরিচিতি

অনুবাদ সাহিত্য

বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আরও তিনটি গ্রন্থের সঙ্গে চর্যাগানগুলো নিয়ে সম্পাদিত গ্রন্থের নাম দেন "হাজার বছরের পুরনো বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা "। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ছিল কাব্যপ্রধান। ইসলাম ধর্ম, হিন্দু ধর্ম ও বাংলার লৌকিক ধর্মবিশ্বাসগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এই সময়কার বাংলা সাহিত্য। ইসলামি ধর্মসাহিত্য,পীরসাহিত্য,বাউল পদাবলি,পবিত্র কুরআনের বঙ্গানুবাদ,মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, শাক্তপদাবলি, বৈষ্ণব সন্তজীবনী, রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের বঙ্গানুবাদ, নাথসাহিত্য ইত্যাদি ছিল এই সাহিত্যের মূল বিষয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নবজাগরণের যুগে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। এই সময় থেকে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বদলে মানুষ, মানবতাবাদ ও মানব-মনস্তত্ত্ব বাংলা সাহিত্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর বাংলা সাহিত্যও দুটি ধারায় বিভক্ত হয়: ঢাকা-কেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাহিত্য ও কলকাতা-কেন্দ্রিক পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য। পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ভারতীয় সাহিত্যের একটি শাখা। বর্তমানে বাংলা সাহিত্য বিশ্বের একটি অন্যতম, সমৃদ্ধ সাহিত্যধারা হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →