দ্য ম্যান ইটিং ল্যাপার্ড অব রুদ্রপ্রয়াগ বইয়ের প্রচ্ছদ

দ্য ম্যান ইটিং ল্যাপার্ড অব রুদ্রপ্রয়াগ

লেখক: জিম করবেট

পৃষ্ঠা: 196

বইয়ের পরিচয়

সন্ত্রাসমানুষখেকো চিতার ফলে গাড়োয়ালের ৫০০ বর্গমাইলের ৫০ হাজার অধিবাসী সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল–এই কথাটা থেকে ঘটনার ভয়াবহতা সম্যক বোঝা যাবে বলে মনে হয় না। কেননা ‘সন্ত্রাস' শব্দটা প্রকৃত অর্থ না বুঝেই নিতান্ত তুচ্ছ ব্যাপারেও যে ভাবে আখচার ব্যবহৃত হয়ে থাকে তাতে যথার্থ প্রয়োজনকালে শব্দটির প্রকৃত অর্থ প্রকাশে প্রায়শই অক্ষমতা থেকে যায়।গাড়োয়ালে সমস্ত অধিবাসী এবং প্রতি বছর যে ৬০ হাজার তীর্থযাত্রী ওই অঞ্চল দিয়ে যাতায়াত করেছিল তাদের কাছে ১৯১৮ সাল থেকে ১৯২৬ সাল পর্যন্ত সন্ত্রাসের যে সংজ্ঞা ছিল তা বোঝাবার জন্য কয়েকটি ঘটনা আমি তুলে ধরছি। এ থেকেই আপনারা ‘সন্ত্রাস' শব্দের প্রকৃত সংজ্ঞাটাও আশা করি নিরূপণ করতে পারবেন।

লেখক পরিচিতি

জিম করবেট

1875 – 1955

জিম করবেট। পুরো নাম এডওয়ার্ড জেমস করবেট (জুলাই ২৫, ১৮৭৫ - এপ্রিল ১৯, ১৯৫৫)। জিম করবেট ছিলেন একজন ইংরেজ শিকারী। তবে জন্ম ভারতের কুমায়ুন অঞ্চলের নৈনিতাল শহরে। স্থানটি বর্তমানে উত্তরাখণ্ড রাজ্যে। তিনি নামকরা শিকারী ছাড়াও একজন বিখ্যাত পরিবেশবাদীও ছিলেন। তার নামানুসারে ভারতের জিম করবেট ন্যাশনাল পার্কের নামকরণ করা হয়। শিকার ও জঙ্গলের বিবরণ নিয়ে তিনি অনেক বই লিখেছেন। হিংস্র প্রাণী, মানুষ খেকো বাঘ এবং চিতা মেরে তিনি অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত থেকে তিনি চলে যান কেনিয়াতে। সেখানে শুরু করেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য এক মহান আন্দোলন। শেষ জীবন তার কেনিয়াতে কাটে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →