বইয়ের পরিচয়

বৌদ্ধদের মতে 'ধম্মপদ' গ্রন্থের সমস্ত কথা স্বয়ং বুদ্ধদেবের উক্তি এবং এগুলো তাঁর মৃত্যুর অল্পকাল পরেই গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ হয়েছিল। ধম্মপদ পালি ভাষায় রচিত এবং বৌদ্ধ শ্রমণ ও ভিক্ষুগণ পালিতেই তা পাঠ ও চর্চা করেন।পালি ভাষায় বৌদ্ধশাস্ত্রগুলো তিন ভাগে বিভক্ত: (ক) সুত্ত (সূত্র) পিটক, (খ) বিনয় পিটক এবং (গ) অভিধম্ম (অভিধর্ম) পিটক। এই তিনের সমন্বয়ে বৌদ্ধ শাস্ত্র একত্রে ত্রিপিটক নামে পরিচিত। ধম্মপদ গ্রন্থটি সুত্তপিটকের অন্তর্গত। এই গ্রন্থটিই সর্বাধিক প্রাচীন বৌদ্ধ শাস্ত্ররূপে পরিগণিত। মূল ধম্মপদ সম্রাট অশোকের পূর্বে এমনকি খ্রীষ্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিদ্যমান ছিল বলে অনুমান করা হয়। ঐ সময়ে বৌদ্ধগ্রন্থে সংস্কৃত ভাষা ব্যবহৃত হতো না। সম্রাট কনিষ্কই বৌদ্ধ গ্রন্থে সংস্কৃত ভাষার ব্যাপক প্রয়োগে পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন। বৌদ্ধগণ বলেন, বুদ্ধদেবের নির্বাণের অব্যবহিত পরে, রাজগৃহ নগরে প্রথম বোধিসঙ্গমকালে ধম্মপদ রচিত হয়েছিল।

লেখক পরিচিতি

অজ্ঞাত

অজ্ঞাত যৌনতা এক রাতের বা নৈমিত্তিক যৌনতার এমন এক ধরন যেখানে একে অপরের সাথে কোনও জানাশোনা থাকে না বা খুব কম জানাশোনা থাকে, প্রায়শই তারা প্রথম সাক্ষাতের দিনেই যৌন ক্রিয়ায় লিপ্ত হয় এবং এরপরে একে অপরের সাথে আর কখনও দেখা হয় না। ক্রুইজিং ফর সেক্স শব্দটি সাধারণত অন্য ব্যক্তির সাথে বেনামে যৌন ক্রিয়া করতে যৌনসঙ্গী অনুসন্ধান করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বেনামে যৌনতা স্থাপনের জন্য ইন্টারনেট একটি প্রাথমিক বাহন। যৌনতার জন্য অর্থ বা ড্রাগের বিনিময় জড়িত থাকার সময় বেনামি যৌনতা কখনও কখনও পতিতাবৃত্তির এক রূপ হিসাবে বিবেচিত হয়। কিছু লোক অভিনয়ে রোমাঞ্চের কারণে বেনামে যৌনতায় লিপ্ত হন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →