বইয়ের পরিচয়

সকলের সে কী সহানুভূতি যে খাবার ফেলা যেত, তাই দিয়ে একটা ধরেই নিচ্ছি যে এখনাে যদি বা কাজ করবার সারা দিনের ভালাে ছােট গরীব পরিবারের অনেকখানি চলে যেত। নেহাৎ এটো বলে ফেলা লোেক কালে-ভদ্রে পাওয়া যায় আর সাত বছর পরে তাও পাওয়া যাবে যেত পাতে না ফেললে লােকে হা-ভাতে বলে নিন্দা করত। কি না সন্দেহ। কিম্বা এত মাইনে দিতে হবে যে সে না পাওয়ারই সমান সুখের বিষয় সে-সব দিন গেছে। আমাদের মনে হয় কারাে বাড়িতে হবে। কাজেই রাধাবাড়া জিনিসটাকে সহজ, নিয়াট, একটা আনন্দের এক দানা ভাত কি এক চামচ রান্না জিনিস নষ্ট হতে দেওয়া উচিত নয়। ব্যাপার করে তুলতেই হবে। বলা বাহুল্য, সেটি করতে হলে অনেক পুরনাে ঝড়তি-পড়তি দিয়ে কত রকম ভালাে রান্না করা যায়। যেমন চপ-সয়ে রান্নার নিয়ম বদলাতে হবে।

লেখক পরিচিতি

লীলা মজুমদার

1908 – 2007

লীলা মজুমদার (২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯০৮ – ৫ এপ্রিল ২০০৭) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখিকা। তিনি কলকাতার রায় পরিবারের প্রমদারঞ্জন রায় ও সুরমাদেবীর সন্তান (বিবাহপূর্ব নাম লীলা রায়)। তার জন্ম রায় পরিবারের গড়পার রোডের বাড়িতে। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (যাঁর পৈতৃক নাম ছিল কামদারঞ্জন রায়) ছিলেন প্রমদারঞ্জনের দাদা এবং লীলার জ্যাঠামশাই। সেইসূত্রে লীলা হলেন সুকুমার রায়ের খুড়তুতোবোন এবং সত্যজিৎ রায়ের পিসিমা।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →