বইয়ের পরিচয়

গল্পের জগতে অভিযানে যেতে চান? তবে চলুন । ঝড়ো বাতাসে হাত দিয়ে প্রদীপ আগলে পাহাড়ে দিকে এগিয়ে চলা বালকের সঙ্গী হওয়া যাক। বানদীঘির বাজারে প্রতি রোববার রাত বারোটার পর যে শাকওয়ালা হাজির হয়, তার ধাধার উত্তর দেবার চেষ্টা করুন না হয় একবার! নির্মল বাবুর আয়না যখন কাপে রাখা এক আজলা পানির মতো টলটল করে, তখন তার ভেতর হাত ডুবিয়ে দেখবেন? নাকি চাঁদের আলোয় মাথা তুলে দাঁড়ানো কাক্তাড়ুয়াকে প্রশ্ন করবেন? জলঢুপী কমলার খোঁজ করতে গিয়ে কী নিষিদ্ধ জ্ঞানের সন্ধান পেলেন নাজমুল সাহেব? সত্যিই কি কুড়ালের আদেশে মানুষকে কুপিয়ে বেড়ায় কালো চাদরধারী? কাক পোষা বৃদ্ধ কীভাবে সহস্রাব্দ প্রাচীন ভাষায় কথা বলে ওঠেন সহসাই? ম্রিংবাসীরা কেন পৃ্থিবীর বাসিন্দাদের বর্জ্য দিয়ে ভুরিভোজ সারে? ঈশপের মিথ্যেবাদী রাখালের সাথে মেশিনের সম্পর্ক কী, কীভাবে সে মানুষকে মুক্তির পথ দেখায়? কবর দেওয়ার পাচদিন পর কীভাবেই বা দৌলতপুরে সশরীরে হাজির হয় ইলিয়াস মিয়া ? কিংবদন্তী, পাপ, অন্ধকার, রহস্য আর অলৌকিকতায় আচ্ছাদিত পরশুরামের কঠোর কুঠার । জাহিদ হোসেনের খোশখেয়ালে স্বাগতম আরও একবার।

লেখক পরিচিতি

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

1933 – 1995

শক্তি চট্টোপাধ্যায় (২৫ নভেম্বর ১৯৩৩ – ২৩ মার্চ ১৯৯৫) ছিলেন ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, লেখক ও অনুবাদক, যিনি জীবনানন্দ-উত্তর যুগের বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান আধুনিক কবি হিসেবে বিবেচিত। বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত এবং আলোচিত ছিলেন। ষাটের দশকে যে চারজন কবিকে হাংরি আন্দোলনের জনক মনে করা হয় তাদের মধ্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায় অন্যতম। ১৯৮২ সালে প্রকাশিত তার যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো কাব্যগ্রন্থ ইংরেজি এবং মৈথিলী ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৪ সালে তিনি পূর্ণেন্দু পত্রী পরিচালিত ছেঁড়া তমসুক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →