বইয়ের পরিচয়
এটি মধ্যযুগের একটি রহস্য কাহিনি। এতে খানিকটা প্রণয় আছে, আছে বিজ্ঞানের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার প্রয়াস। বিজ্ঞানের প্রতি নিবেদিত ছাত্র ভিক্টর ফ্র্যাষ্কেনস্টাইন উঠেপড়ে লেগেছে কীভাবে প্রাণ তৈরি করা যায়। নিজের আবিষ্কার করা প্রাণ কিসে দান বা আরোপ করবে সে? লাশ থেকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চুরি করা হলো। কিন্তু দৈত্যাকার একটা মানুষ তৈরি করার পর সেটার বীভৎস চেহারা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ল ভিক্টর, নিজের তৈরি প্রাণীকে ফেলে পালিয়ে গেল। ফ্র্যাষ্কেনস্টাইনের জনপ্রিয়তা সঙ্গে সঙ্গে তুঙ্গে উঠে গিয়েছিল। এই হরর এবং সায়েন্স ফিকশন শুধু যে রোমহর্ষক একটি গল্প উপহার দিয়েছে তা নয়, একই সঙ্গে প্রাণের প্রকৃতি এবং মহাবিশ্বে মানবজাতির স্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রশ্নও উত্থাপন করেছে : মানুষ বলতে কী বোঝায়? পরস্পরের প্রতি আমাদের কতটুকু দায়িত্ব রয়েছে? প্রকৃতির নিয়ম ভাঙার ক্ষেত্রে কতটা স্বাধীনতা আমাদের নেয়া উচিত? জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, অরগ্যান ডোনেশন আর বায়োটেররিজমের এই যুগে এসব প্রশ্ন এখন খুবই প্রাসঙ্গিক।