বইয়ের পরিচয়

বাঙ্গালা ভাষার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসবাঙ্গালা ভাষা প্রায় ৮ কোটি লোকের ভাষা। কেবল বাঙ্গালা দেশে নয়, বাঙ্গালা দেশে নয়, বাঙ্গালা প্রত্যন্ত স্থানেও বাঙ্গালা দেশভাষা রূপে প্রচলিত। বিহার প্রদেশের পূর্ণিয়া জেলার পূর্বাংশ, রাঁচি, হাজারিবাগ, সাঁওতাল, পরগণা, সিংহভূম ও মানভূমে বাঙ্গালা দেশভাষা। আসাম প্রদেশের করিমগঞ্জ, কাছাড় ও গোয়ালপাড়া জেলার ভাষা বাঙ্গালা। বর্মার আরাকানের চলিত ভাষা বাঙ্গালা। ভাষাভাষীর সংখ্যা হিসাবে বাঙ্গালা পৃথিবীর অষ্টম ভাষা। ভাষার জীবন্ত রূপ তাহার কথ্য ভাষায়। স্থান ভেদে বাঙ্গালার কথ্যরূপ নানাবিধ। "একজন লোকের দুইটা ছেলে ছিল", ইহা সাধু ভাষা। এই বাক্যটি নানা স্থানের কথ্য ভাষায় যে রূপ লইয়াছে, তাহা নিম্নে দেখান যাইতেছে। -কলিকাতা, ২৪ পরগণা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান- অ্যাক জন লোকের দুটো ছেলে ছিলো।

লেখক পরিচিতি

বাংলা ব্যাকরণ

বাংলা ব্যাকরণ (বাংলা উচ্চারণ: /baŋla bækɔron/ ()) হলো একটি বিশ্লেষণশাস্ত্র, যেখানে বাংলা ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি বিশ্লেষণ এবং বর্ণনা করা হয়। বাংলা ভাষার ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ইত্যাদি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভাষার মধ্যকার সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো খুঁজে বের করা বাংলা ব্যাকরণের কাজ। ব্যাকরণগ্রন্থে এসব বৈশিষ্ট্যকে সূত্রের আকারে সাজানো হয়ে থাকে। ব্যাকরণের এই ভাষাবিশ্লেষণের ক্ষেত্রে পরস্পর নির্ভরশীল চারটি বিভাগ রয়েছে, সেগুলো হলো ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও বাগর্থতত্ত্ব। প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বের মধ্যেই ধ্বনিবিজ্ঞানের বিষয়গুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হয়; যদিও ধ্বনিবিজ্ঞান ভাষাবিজ্ঞানে ধ্বনিতত্ত্বের বহির্ভূত একটি শাখা। এছাড়া অভিধানতত্ত্ব, ছন্দ ও অলংকার প্রভৃতিও বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →