বইয়ের পরিচয়

বই এর শেষ ফ্লাপদিনযাপনকেই দুর্মরতম কবিতা করে তুলতে পারেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়। বাংলা কবিতায় তাঁর এক অপ্রতিম আসন। তাঁর স্বপ্ন ও জাগরণ, প্রতীক্ষা ও প্রাপ্তি, ভালোবাসা ও অপ্রেম, বাৎসল্য ও আত্মপরতা. ভ্রমণ ও আলস্য, আনন্দ ও অশ্রুপাত, স্মৃতি ও সাম্প্রতিকতা, বিশ্বাস ও সংশয়, আসক্তি ও ঔদাসীন্য, শ্রদ্ধা ও তিরস্কার—সব কিছু সমস্ত কিছুই কবিতা। তাঁর দিনযাপন নিয়ে যেমন কিংবদন্তী, কবিতা নিয়েও তেমনই তুমুল আলোড়ন । কিংবা কবিতা নিয়ে ঢের বেশী। কেননা, তা আরো বড়ো এক সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয় পাঠককে। ‘মানুষ বড়ো কাঁদছে' শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক রচনাবলীর এক বাছাই সংকলন। কী আছে এই বইতে ? এর উত্তরে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের এই বই থেকেই পংক্তি চুরি করে বলতে ইচ্ছে করে— কেভাঙা গান আছে, ছবির সড়ঙ্গ আছে, অশ্রুপাত আছে, নদীতীরে মেলা আছে, জ্যোৎস্নার ফাঁদ পাতা আছে, রঙ্গময় পৃথিবীর সব আছে। বাড়তি যা রয়েছে তা হলো, মানষের প্রতি ভালবাসা-মেশানো এক আশ্চর্য দৃষ্টিপাত—যা কিনা শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক কবিতায় এক পালা-বদলের মহিমা যুক্ত করেছে।

লেখক পরিচিতি

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

1933 – 1995

শক্তি চট্টোপাধ্যায় (২৫ নভেম্বর ১৯৩৩ – ২৩ মার্চ ১৯৯৫) ছিলেন ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, লেখক ও অনুবাদক, যিনি জীবনানন্দ-উত্তর যুগের বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান আধুনিক কবি হিসেবে বিবেচিত। বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত এবং আলোচিত ছিলেন। ষাটের দশকে যে চারজন কবিকে হাংরি আন্দোলনের জনক মনে করা হয় তাদের মধ্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায় অন্যতম। ১৯৮২ সালে প্রকাশিত তার যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো কাব্যগ্রন্থ ইংরেজি এবং মৈথিলী ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৪ সালে তিনি পূর্ণেন্দু পত্রী পরিচালিত ছেঁড়া তমসুক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →