বইয়ের পরিচয়

বাংলা সাহিত্যে রহস্যোপন্যাস ঘরানার সৃষ্টি কার হাত ধরে হয়েছিল, তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও এ নিয়ে দ্বিমত নেই যে ধারাটি পরিপুষ্ট হয়েছে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ধরেই। মিসমিদের কবচ মিসমি উপজাতিদের নিয়ে কিশোর গোয়েন্দা উপন্যাস। সব গোয়েন্দা কাহিনির মতোই এই উপন্যাসেও ধীরে ধীরে রহস্যের জট খুলেছে, ক্লাইম্যাক্স টুইস্টও আছে- যা পাঠককে নিয়ে যায় আনন্দময় এক যাত্রা পথে। বাংলা সাহিত্যে রহস্যোপন্যাস ঘরানার সৃষ্টি কার হাত ধরে হয়েছিল, তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও এ নিয়ে দ্বিমত নেই যে ধারাটি পরিপুষ্ট হয়েছে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ধরেই। মিসমিদের কবচ মিসমি উপজাতিদের নিয়ে কিশোর গোয়েন্দা উপন্যাস। সব গোয়েন্দা কাহিনির মতোই এই উপন্যাসেও ধীরে ধীরে রহস্যের জট খুলেছে, ক্লাইম্যাক্স টুইস্টও আছে- যা পাঠককে নিয়ে যায় আনন্দময় এক যাত্রা পথে।

লেখক পরিচিতি

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

1894 – 1950

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১২ সেপ্টেম্বর ১৮৯৪ – ১ নভেম্বর ১৯৫০) ছিলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। পথের পাঁচালী ও অপরাজিত তাঁর সবচেয়ে বেশি পরিচিত উপন্যাস। অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে আরণ্যক, চাঁদের পাহাড়, আদর্শ হিন্দু হোটেল, ইছামতী ও অশনি সংকেত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। উপন্যাসের পাশাপাশি বিভূতিভূষণ প্রায় ২০টি গল্পগ্রন্থ, কয়েকটি কিশোরপাঠ্য উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনি এবং দিনলিপিও রচনা করেন। বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত চলচ্চিত্রটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন। বিভূতিভূষণের অধিকাংশ উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপায়িত করা হয়েছে। ১৯৫১ সালে ইছামতী উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার রবীন্দ্র পুরস্কার (মরণোত্তর) লাভ করেন। == জন্ম ও পরিবার == বিভূতিভূষণ বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার কাঁচড়াপাড়ার নিকটবর্তী মুরাতিপুর গ্রামে নিজ মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বনগাঁর নিকট বারাকপুর গ্রামে। তবে তাদের আদিবাস ছিল উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বসিরহাট মহকুমার অন্তর্গত পানিতর গ্রাম৷ তার প্রপিতামহ ছিলেন কবিরাজ এবং তিনি বনগাঁর নিকট বারাকপুর গ্রামে কবিরাজি করতে আসতেন৷ তার পিতা মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন প্রখ্যাত সংস্কৃত পণ্ডিত। পাণ্ডিত্য এবং কথকতার জন্য তিনি শাস্ত্রী উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। মাতা মৃণালিনী দেবী। পিতামাতার পাঁচ সন্তানের মধ্যে বিভূতিভূষণ বয়োজ্যেষ্ঠ ছিলেন। == শিক্ষাজীবন == পিতার কাছে বিভূতিভূষণের পড়ালেখার পাঠ শুরু হয়। এরপর নিজ গ্রাম ও অন্য গ্রামের কয়েকটি পাঠশালায় পড়াশোনার পর বনগ্রাম উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →