যখন ছোট ছিলাম বইয়ের প্রচ্ছদ

যখন ছোট ছিলাম

লেখক: সত্যজিৎ রায়

পৃষ্ঠা: 96

ISBN: 9789849238159

বইয়ের পরিচয়

“যখন ছোট ছিলাম " বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃএ-বইতে শুধু সেই ছােট্ট সত্যজিৎ রায়ের বড় হয়ে ওঠার কাহিনীই শােনাননি তিনি, সেই সঙ্গে শুনিয়েছেন এমন-এক পরিবারের কথা যে-পরিবার বাংলা সাহিত্যে একমাত্র ঠাকুরবাড়ির পরেই স্মরণযােগ্য। আর শুনিয়েছেন এমন এক কলকাতার কথা, যে-কলকাতা আজ মনে হয়। অচেনা ।। স্মৃতিকে সবাই ধরে রাখতে পারে না, সবাই পারে না স্মৃতিপটে ফুটেওঠা কাহিনীকে সরস ও স্বাদু করে শােনাতে। সত্যজিৎ রায় এই দুটো । কঠিন কাজই খুব সহজ করে আর সুন্দর করে। পেরেছেন। তাঁর স্মৃতি-অভিজ্ঞতার ভাণ্ডারটি। যেমন মণিমুক্তোয় ঠাসা, বলার ভঙ্গিতেও তেমনই হীরের ধার এবং উজ্জ্বলতা। যখন ছােট ছিলাম’ বেরিয়েছিল সন্দেশ পত্রিকার দুটি সংখ্যায় বর্তমান গ্রন্থটিকে তার। পুনর্মুদ্রণ বললে নিতান্তই কমিয়ে বলা হবে। লেখা যেমন আমূল বদলে গেছে সম্পাদনায় আর আর সংযােজনে, ছবির ক্ষেত্রেও তেমনই বহু বদল, যােজনা এবং সংস্কার। নতুন করে বিস্তর ছবি এঁকেছেন সত্যজিৎ রায় এ-বইয়ের জন্য। যেমন, গড়পারের বাড়ি অথবা বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুল। নতুন করে যেতে হয়েছে তাকে এ-সব জায়গায়, স্কেচ আঁকার জন্য। গ্রন্থাকার। ‘যখন ছােট ছিলাম’-এর আরেকটি বড় আকর্ষণ, পাতার পর পাতা জোড়া বহু দুস্প্রাপ্য ফোটো এবং ফ্যাকসিমিলি।

লেখক পরিচিতি

সত্যজিৎ রায়

1921 – 1992

সত্যজিৎ রায় (বাংলা: [ˈʃotːodʒit ˈrae̯] ; (২ মে ১৯২১ – ২৩ এপ্রিল ১৯৯২) ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, শিল্প নির্দেশক, সংগীত পরিচালক এবং লেখক। তাকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয়। সত্যজিতের জন্ম কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্প সমাজে খ্যাতনামা রায় পরিবারে। তার পূর্বপুরুষের ভিটা ছিল তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জে মহকুমার (বর্তমানে বাংলাদেশ) কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া গ্রামে। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী চলচ্চিত্র লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে (ইতালীয়: Ladri di biciclette, বাইসাইকেল চোর) দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন। চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তার কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী (১৯৫৫) ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, এর মধ্যে অন্যতম ১৯৫৬ কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানুষে-আবর্তিত প্রামাণ্যচিত্র” (Best Human Documentary) পুরস্কার। পথের পাঁচালী, অপরাজিত (১৯৫৬) ও অপুর সংসার (১৯৫৯) – এই তিনটি একত্রে অপু ত্রয়ী নামে পরিচিত, এবং এই চলচ্চিত্র-ত্রয়ী সত্যজিতের জীবনের শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসেবে বহুল স্বীকৃত। চলচ্চিত্র মাধ্যমে সত্যজিৎ চিত্রনাট্য রচনা, চরিত্রায়ন, সঙ্গীত স্বরলিপি রচনা, চিত্রগ্রহণ, শিল্প নির্দেশনা, সম্পাদনা, শিল্পী-কুশলীদের নামের তালিকা ও প্রচারণাপত্র নকশা করাসহ নানা কাজ করেছেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →