বইয়ের পরিচয়

“রক্তগোলাপ" বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃসব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম এক ব্যক্তিত্ব। তিনি সাহিত্যের সকল শাখায় সৃজনী বহুমুখীন কর্মের। যে উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখে গেছেন, তা বাংলা। সাহিত্যের ভুবনকে সমৃদ্ধ করেছে নানাভাবে। বিগত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক থেকে। বাংলাদেশের সাহিত্যে হাতেগােনা যে-কয়েকজন আধুনিকতার পথ নির্মাণ করেছিলেন সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম প্রধান । তাঁর। কবিতা, ছােটগল্প, উপন্যাস, মৌলিক নাটকসৃজন সাহিত্যের নানা রচনায় নতুন মাত্রা অর্জন করেছে । সাহিত্যের বিভিন্ন বিভাগকে তার সৃজনবৈভব দ্বারা তিনি যে-উচ্চতায় স্থাপন করেছেন তার কোনাে তুলনা নেই। তাঁর কবিতা ও গদ্য রচনার শৈলী উত্তরকালের জন্য অনুকরণযােগ্য হয়ে থাকবে । বাংলাদেশের ছােটগল্পে যারা বিষয় ও প্রকরণ নিয়ে কাজ করেছেন, উত্তীর্ণ মানের গল্প লিখেছেন সৈয়দ হক তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। ১৯৬৩ সালে সৈয়দ হক লিখেছিলেন তাঁর বিখ্যাত গল্প ‘রক্তগােলাপ’ । ১৯৬৪ সালে মাওলা ব্রাদার্স থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় ‘রক্তগােলাপ' বইটি। প্রকাশিত হওয়ার পর তাঁর গল্পখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে বিদোৎসাহী মহলে। এ ছাড়া বইটিতে রয়েছে। লেখকের খুবই উল্লেখযােগ্য ‘জনক ও কালােকফি এবং কয়েকটি মানুষের সােনালি যৌবন দুটি। ভিন্নমাত্রার গল্প । সৈয়দ হক তাঁর গল্পের মাধ্যমে আমাদেরকে জীবনের প্রতি তীব্র ভালােবাসার আহ্বানই যেন জানিয়েছেন।

লেখক পরিচিতি

সৈয়দ শামসুল হক

1935 – 2016

সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। তার লেখকজীবন প্রায় ৬২ বছর ব্যাপী বিস্তৃত। সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ৩১ বছর বয়সে ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →