বইয়ের পরিচয়
উইকিপিডিয়া থেকে
রূপসী বাংলা বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের সর্বাধিক জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। এটি তাঁর সপ্তম কাব্যগ্রন্থ। কবি জীবদ্দশায় এ গ্রন্থটি বা এর অন্তর্ভুক্ত কোন কবিতা প্রকাশ করেন নি। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে দুঘর্টনায় অকালমৃত্যুর পর এর পাণ্ডুলিপির খাতাটি আবিষ্কৃত হয়। কবি এ গ্রন্থটির প্রচ্ছদনাম নির্বাচন করেছিলেন বাংলার ত্রস্ত নীলিমা। জীবনানন্দ কেন স্বীয় জীবদ্দশায় এ কাব্যগন্থটি প্রকাশ করেননি তা অদ্যাবধি এক পরম বিস্ময় হয়ে আছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এ কাব্যের কবিতাগুলি বাঙালিদের বিশেষভাবে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল।
উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗Goodreads থেকে
ঝরা পালক কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ) ভারতের কলকাতা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে মোট পঁয়ত্রিশটি কবিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কবিতাগুলোর শিরোনাম হলোঃ আমি কবি—সেই কবি নীলিমা নব-নবীনের লাগি কিশোরের প্রতি মরীচিকার পিছে জীবন-মরণ দুয়ারে আমার বেদিয়া নাবিক বনের চাতক—মনের চাতক সাগর-বলাকা চলছি উধাও কদিন খুঁজেছিনু যারে আলেয়া অস্তচাঁদে ছায়া-প্রিয়া ডাকিয়া কহিল মোরে রাজার দুলাল কবি সিন্ধু দেশবন্ধু বিবেকানন্দ হিন্দু-মুসলমান নিখিল আমার ভাই পতিতা ডাহুকী শ্মশান মিশর পিরামিড মরুবালু চাঁদিনীতে দক্ষিণা সে কামনা নিয়ে স্মৃতি সেদিন এ-ধরণীর ওগো দরদিয়া সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে তারাটিরই কথা হয়
সূত্র: Goodreads ↗